ইন্সট্রাক্টর
১৯ মে, ২০২৩ ০৭:১৭ অপরাহ্ণ
শিক্ষক ইঞ্জিনিয়ার পলাশ মজুমদার জাতীয় পর্যায়ে ২০১৯ সালে ২য় বারের মত শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে।
জাতীয় পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক
পলাশ কান্তি মজুমদার
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ খ্রি. এ দ্বিতীয় বারেরমত জাতীয় পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক (কারিগরি) নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা জেলাধীন সদর দক্ষিণ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চাঁদপুর জনতা হাই স্কুল এন্ড কলেজের কারিগরি বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক জনাব পলাশ কান্তি মজুমদার। তিনি কারিগরি বিভাগে সিনিয়র ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে কর্মরত আছেন। উল্লেখ্য যে, তিনি জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭ এ জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (কারিগরি) নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তিনি চট্টগ্রাম জেলাধীন মিরসরাই উপজেলার ০৩ নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ০২ নং ওয়ার্ডের গোবিন্দপুর নামক গ্রামের গৌরব উজ্জ্বল এই কৃতি সন্তান ১৯৭৮ সালের এক জানুয়ারি এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি শিক্ষক পিতা জনাব সুনীল চন্দ্র মজুমদার ও মেধাবী গৃহিনী মাতা গীতা রানী মজুমদারের জৈষ্ঠ্য সন্তান।
তিনি ১৯৮১ সালে শিক্ষা জীবন শুরু করে ১৯৮৫ সালে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত তাজপুর অলি আহম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করেন। ১৯৮৬ সালে ছয় মাস সীতাকুন্ড রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ গ্রহন করেন। পরবর্তীতে তিনি জোরারগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে ১৯৮৭ সালে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করেন। ১৯৮৮ সালে জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে ১৯৯৩ সালে বিজ্ঞান বিভাগে এস.এস.সি ১৯৯৭ সালে জোরারগঞ্জ সরকারি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, চট্টগ্রাম হতে ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী লাভ করেন। ২০১২ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে ১ম শ্রেণিতে বি.এস.এস (প্রায়ভেট) ডিগ্রী লাভ করেন। ২০১৪ সালে অতিশ দিপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১ম শ্রেণি পেয়ে বি.এস.সি ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী লাভ করেন। ২০১৪ সালের প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে ২০১৭ সালে ১ম শ্রেণিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ হতে ১ম শ্রেণি পেয়ে এম.এস.সি (এম.সি.এ) ডিগ্রী লাভ করেন। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কুমিল্লা সরকারি টির্চাস ট্রেনিং কলেজ হতে ১ম শ্রেণি পেয়ে বি.এড ডিগ্রী লাভ করেন এবং বর্তমানে এম.এড ফাইনাল সেমিস্টারে অধ্যায়নরত।
তিনি ১৯৯৭ হতে ২০০০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন প্রাইভেট টেক্সটাইল ইন্ডাষ্ট্রিতে চাকুরি করেন ২০০১ সালে আদর্শ শিক্ষক পিতা সুনীল চন্দ্র মজুমদারের সুযোগ্য সন্তান পলাশ কান্তি মজুমদার শিক্ষকতা পেশায় প্রথমে চাঁদপুর জেলাধীন মতলব (উত্তর) উপজেলার জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের কারিগরি বিভাগে যোগদান করে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। তিনি ২০০৯ সালে শিক্ষানগরী কুমিল্লা জেলাধীন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ চাঁদপুর জনতা হাই স্কুল এন্ড কলেজ এর কারিগরি বিভাগে যোগাদান করে অদ্যবদি নিয়োজিত আছেন এবং পাশাপাশি কলেজ শাখার আইসিটি বিষয়ে প্রভাষকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাছাড়া তিনি ২০১৬ সাল হতে MSB Institute of Fashion Design & Technology, Cumilla-তে খন্ডকালীন প্রভাষক হিসেবে আইসিটি ও টেক্সটাইল বিষয়ে পাঠদান করে আসছেন। এছাড়া তিনি যুব উন্নয়ন অদিদপ্তরের বিভিন্ন কোর্সের প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও আইসিটি বিষয়ক দক্ষতা বৃদ্ধিতে তিনি নিরলস ভাবে ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও এটুআই এর বিভিন্ন প্রোগ্রামে নিজে ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে দক্ষতা বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহনের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সচেষ্ট রয়েছেন। তিনি ২০১৪-২০১৫ সালে দুই মাস ব্যাপী ভারতের চেন্নাইতে Development Technical Education To Meet The Global Needs বিষয়ের উপর ILO ও ভারতের স্কলারশীল নিয়ে আইটেক ট্রেনিং গ্রহন করেন। এছাড়া তিনি দেশে Digital Content Development Training, Advanced ICT Course Training, Trouble Shooting Training, National Skills Development Policy Training, Professional Skill Enhancement & Institutional Leadership Development Training সহ অস্যংখ প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন এবং তিনি বিভিন্ন সময়ে জেলা ও উপজেলা পর্যয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মহান পেশা শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি কুমিল্লায় রোটারি ক্লাব অব আড়ং কুমিল্লাতে জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। ইনষ্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) কুমিল্লা জেলা শাখায় বর্তমানে ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে কুমিল্লা জেলা ICT4E কমিটির গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা দক্ষিণ উপজেলা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সংগঠনের উপজেলা পর্যায়ে জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
তিনি ব্যক্তিগত জীবনে ২০০২ সালের ২০ জুন কুমিল্লা সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্স জনাব সেবিকা রানী পালের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁর পরিবারের সকল সদস্য উচ্চ শিক্ষিত ও স্ব স্ব ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। তিনি বর্তমানে দুই পুত্র সন্তানের জনক। তাঁর বড় ছেলে স্পর্শ মজুমদার কুমিল্লা জিলা স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত। ছোট ছেলে স্পন্দন মজুমদার আগামী বছর স্কুল জীবনে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে একজন কর্মঠ, পরিশ্রমী, বিনয়ী ও ভদ্র পলাশ কান্তি মজুমদার তাঁর প্রতি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালনে সর্বদা সচেতন ও দায়িত্ববান। এই কারণেই তিনি প্রতিষ্ঠানের একজন জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবে সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি তার সকল শিক্ষার্থীদের কাছে সমান জনপ্রিয়।
তাঁর গৌরবময় কর্ম জীবনে মাক্রোসফট এডুকেশনে MIE Expert হিসেবে তালিকাভূক্ত হয়েছেন এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল কানেক্টিং স্কুল এ ডিসেম্ব ২০১৮ তে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ফুল অ্যাওয়ার্ড (ISA) লাভ করেন। শিক্ষক বাতায়নের জাতীয় ভাবে সপ্তাহের সেরা কন্টেন্ট নির্মাতার স্বীকৃতি ভাল করেন। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (কারিগরি) এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ সালেও জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (কারিগরি) এর গৌরব অর্জন করায় চাঁদপুর জনতা হাই স্কুল এন্ড কলেজ এর সম্মানিত অধ্যক্ষ জনাব মোঃ আবু ইসহাক মহোদয় ও সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলী, পরিচালনা কমিটির সম্মানিত সভাপতি জনাব মোঃ মনিরুল হক মৈশান ও সম্মানিত সদস্য বৃন্দ এবং সকল বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁর কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ অসংখ্য স্থানীয় ও জাতীয় পুস্কার লাভ করেছেন। তিনি সকলের নিকট আশির্বাদ/ দোয়া প্রার্থী।
Mobile: 01878-080572, E-Mail: [email protected]
আমি চট্টগ্রাম জেলাধীন মিরসরাই উপজেলার ০৩ নং জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ০২ নং ওয়ার্ডের গোবিন্দপুর নামক গ্রামে এক জানুয়ারি ১৯৭৮ সালের জন্ম গ্রহন করি। আমি শিক্ষক পিতা জনাব সুনীল চন্দ্র মজুমদার ও গৃহিনী মাতা গীতা রানী মজুমদারের জৈষ্ঠ্য সন্তান।
আমি ১৯৮১ সালে শিক্ষা জীবন শুরু করে ১৯৮৫ সালে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত তাজপুর অলি আহম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়ন করি। ১৯৮৬ সালে ছয় মাস সীতাকুন্ড রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ গ্রহন করি। পরবর্তীতে বাবার কর্মস্থলের কারণে জোরারগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে ১৯৮৭ সালে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করি। ১৯৮৮ সালে শিক্ষক পিতার কর্মস্থল জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে ১৯৯৩ সালে বিজ্ঞান বিভাগে এস.এস.সি পাস করি। ১৯৯৭ সালে জোরারগঞ্জ সরকারি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, চট্টগ্রাম হতে ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী লাভ করি। আমি ১৯৯৭ হতে ২০০০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিতে চাকুরির করার কারণে পড়া-লেখায় বন্ধ হয়ে যায়। ২০০১ সালের ১ এপ্রিল আদর্শ শিক্ষক পিতা সুনীল চন্দ্র মজুমদারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে শিক্ষকতা পেশায় প্রথমে চাঁদপুর জেলাধীন মতলব (উত্তর) উপজেলার জমিলা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের কারিগরি বিভাগে যোগদান করে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কর্মরত ছিলাম এবং ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারি তারিখে শিক্ষানগরী কুমিল্লা জেলাধীন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ চাঁদপুর জনতা হাই স্কুল এন্ড কলেজ এর কারিগরি বিভাগে যোগাদান করে অদ্যবদি কর্মরত আছি এবং পাশাপাশি ২০১৪ হতে অত্র প্রতিষ্টানের কলেজ শাখার আইসিটি বিষয়ে প্রভাষকের দায়িত্ব পালন করে আসছি। ২০০৯ সালের ডিসেম্বর মাসে আমার প্রতি একটি ব্যক্তিগত আক্রোশের ঘটনা আমাকে খুবি মর্মাহর করে। যার কারণে আমি ২০১০ সালে আবার পড়া-লেখা শুরু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। যার ফলে ২০১২ সালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ হতে ১ম শ্রেণিতে বি.এস.এস (প্রায়ভেট) ডিগ্রী লাভ করেন। ২০১৪ সালে অতিশ দিপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১ম শ্রেণি পেয়ে B.Sc Engineering Textile ডিগ্রী লাভ করি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ হতে ২০১৪ সালের প্রাইভেট পরীক্ষার্থী হিসেবে ২০১৭ সালে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১ম শ্রেণিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করি এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ হতে ১ম শ্রেণি পেয়ে এম.এস.সি (MCA) ডিগ্রী লাভ করি। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে কুমিল্লা সরকারি টির্চাস ট্রেনিং কলেজ হতে ১ম শ্রেণি পেয়ে বি.এড ডিগ্রী লাভ করি এবং ১ম শ্রেণিতে পেয়ে এম.এড ডিগ্রী লাভ করেন। বর্তমানে তিনি শিক্ষা বিষয়ক নানা গবেষনা কাজে নিয়োজিত আছেন।
এটুআই এর বিভিন্ন প্রোগ্রামে নিজে ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে দক্ষতা বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমি দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহনের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমি ২০১৪-২০১৫ সালে দুই মাস ব্যাপী ভারতের চেন্নাইতে “Development Technical Education To Meet The Global Needs” বিষয়ের উপর ILO ও ভারতের স্কলারশীল নিয়ে আইটেক ট্রেনিং গ্রহন করি। এছাড়া আমি দেশে Digital Content Development Training, Advanced ICT Course Training, Trouble Shooting Training, National Skills Development Policy Training, PBM training, Professional Skill Enhancement & Institutional Leadership Development Training সহ অসংখ্য প্রশিক্ষণ গ্রহন করার সুযোগ লাভ করি। এছাড়াও মুক্তপাঠ ও অনলাইন এর মাধ্যমে দেশি ও বিদেশি অংখ্যা কোর্স করার সুযোগ লাভ করেছি। যার ফলে বিভিন্ন সময়ে জেলা ও উপজেলা পর্যয়ে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সুযোগ পেয়েছি। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সের প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছি এবং শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও আইসিটি বিষয়ক দক্ষতা বৃদ্ধিতে আমি নিরলস ভাবে ইন-হাউজ প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছি।
মহান পেশা শিক্ষকতার পাশাপাশি আমি সামাজিক নানা কর্মকান্ডের মধ্যে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। কুমিল্লায় রোটারি ক্লাব অব আড়ং কুমিল্লাতে জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেছি। ইনষ্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) কুমিল্লা জেলা শাখায় বর্তমানে ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছি। বর্তমানে কুমিল্লা জেলা ICT4E কমিটির গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এবং কুমিল্লা দক্ষিণ উপজেলা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত আছি। বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের সংগঠনের উপজেলা পর্যায়ে জয়েন্ট সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করে আসছি। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় কাজে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে আসছি।
আমার ব্যক্তিগত জীবনে ২০০২ সালের ২০ জুন কুমিল্লা সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্স জনাব সেবিকা রানী পালের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। সৃষ্টি কর্তার অশেষ কৃপায় আমাদের বর্তমানে দুই পুত্র সন্তান রয়েছে। আমাদের বড় ছেলে স্পর্শ মজুমদার ২০১৯ সালে কুমিল্লা জিলা স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত। ছোট ছেলে স্পন্দন মজুমদার আগামী বছর ২০২০ স্কুল জীবনে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। কর্মময় জীবনে আমার প্রতি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালনে সর্বদা সচেতন ও সচেষ্ট রয়েছি। আমার কর্ম জীবনে অনেক সাফল্য পেয়েছি। যেমন- মাক্রোসফট এডুকেশনে MIE Expert হিসেবে তালিকাভূক্ত হয়েছি এবং ব্রিটিশ কাউন্সিল কানেক্টিং স্কুলের International School Full Award-2018 (December Rournd) লাভ করেছি। শিক্ষক বাতায়নের সপ্তাহের সেরা কন্টেন্ট নির্মাতার স্বীকৃতি ভাল করেছি। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (কারিগরি) এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৯ সালেও জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (কারিগরি) হওয়ার কারণে চাঁদপুর জনতা হাই স্কুল এন্ড কলেজ এর সম্মানিত অধ্যক্ষ জনাব মো. আবু ইসহাক মহোদয় ও সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলী, পরিচালনা কমিটির সম্মানিত সভাপতি জনাব মো. মনিরুল হক মৈশান ও সম্মানিত সদস্য বৃন্দ এবং সকল বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ অকৃত্রিম ভালোবাসা পেয়েছি। এছাড়া MSB Foundation ও অন্যান্য জাতীয় ও সামাজিক সংগঠ হতে কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ অসংখ্য স্থানীয় ও জাতীয় পুস্কার পেয়েছি। আমার পথ চলায় যেন আমি আত্মমানবতার সেবাই সব সময় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারি তার জন্য সকলের নিকট আশির্বাদ/ দোয়া প্রার্থী।