সহকারী শিক্ষক
১৭ মে, ২০২৩ ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
যেসব বস্তু বা কৌশল ব্যবহার করলে শিখনের বিষয়বস্তুকে শিক্ষার্থীদের কাছে সহজ ও আকর্ষণীয় করে তোলা যায়, শিক্ষার্থীদের জন্য বুঝতে সহায়ক হয়, শিখন-শেখানো কার্যক্রমকে কার্যকর করে তোলা যায় তাই শিক্ষা উপকরণ বা শিক্ষা সহায়ক উপকরণ। যেমন- পৃথিবী সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ম্যাপ বা গ্লোব ব্যবহার করা, আদিবাসীদের সংস্কৃতি সম্পর্কে পড়াতে তাদের পোশাক, বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানের ছবি ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে বিষয়টি শিক্ষার্থীদের জন্য বোঝা সহজ হয় এবং অনেকটা মূর্ত হয়ে ওঠে।
শিখন শেখানো কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের শিক্ষা উপকরণকে সাধারণভাবে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা–
(ক) শ্রবণযোগ্য উপকরণ: যেসব উপকরণ শিখনের বিষয়বস্তুকে শ্রবণযোগ্য করে তোলে অর্থাৎ আমরা আমাদের কান দিয়ে শুনতে পাই। যেমন- রেডিও, টেপ রেকর্ডার, অডিও ক্যাসেট, সিডি প্লেয়ার, মাইক্রোফোন ইত্যাদি।
(খ) দর্শনযোগ্য উপকরণ: যেসব উপকরণ শিখনের বিষয়বস্তুকে দর্শনগ্রাহ্য করে তোলে অর্থাৎ আমাদের চোখ দিয়ে দেখতে পাই।
যেমন- পোস্টার, ছবি, চার্ট, গ্লোব, বিভিন্ন মডেল, ম্যাপ, ম্যাগাজিন ,জার্নাল, বিভিন্ন প্রকার বোর্ড, পাঠ্যপুস্তক, পত্র-পত্রিকা, স্লাইড প্রজেক্টর, ওভারহেড প্রজেক্টর ইত্যাদি।
(গ) শ্রবণ–দর্শনযোগ্য উপকরণ: যেসব উপকরণ শিখনের বিষয়বস্তুকে একইসাথে শ্রবণ ও দর্শনগ্রাহ্য করে তোলে অর্থাৎ চোখ ও কানের ব্যবহার করে আমরা বুঝতে পারি। যেমন- টেলিভিশন, চলচিত্র, ডিভিডি, মনিটর, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মাল্টিমিডিয়া ইত্যাদি।