Loading..

শিক্ষায় অগ্রযাত্রা

রিসেট

১৬ মে, ২০২৩ ১০:২৬ অপরাহ্ণ

শ্রী শ্রী সারদীয়া দেবী দুর্গার পূজা পালনের ইতিহাস।

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলায় ৭ নং মাসকা ইউনিয়ের ৩ নং ওয়ার্ডে মাচিয়ালী গ্রামের প্রায় ১৫০টি হিন্দু পরিবারের বসবাস। এই হিন্দু পরিবার গুলো পরমপরা অনুযায়ী বিভিন্ন মাংগলীক কাজ কর্ম করে আসছে। তারি ধারাবাহিকতয় বিভিন্ন ধরনের পুজাকর্মাদি করে আসছে। হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে বড় পূজা হচ্ছে শ্রী শ্রী সারদীয়া  দূর্গা পূজা। এই দূর্গা পূজার ইতিহাস শুরু হয় সত্যযুগ থেকে। যখন বিভিন্ন দেব দেবিদের বিভিন্ন ভাবে প্রহার করতে শুরু করে। শুরু হয় ইন্দ্রলোকে সকল ধরনের পাপকার্যের কর্মজজ্ঞ। সকল দেবদেবীরা প্রহারের সীকার হচ্ছে। হয়ে পরছে দিশেহারা। অন্যদিকে অসুরগন তাদের অমরত্তলাভের আশায় ধ্যান এবং সকল কর্মকান্ড করে যাচ্ছে। ক্রমাহ্নয়ে মূনি ঋৄষিদের বিভিন্ন ছলনায় বধ করতে শুরু করে। দেব-দেবিদের প্রহার করে ক্রমাহ্ন্যে বধ কতে শুরু করে। তারি পরিত্রানের উপায় হিসাবে সকল দেবতারা ভগবান বিষ্ণু, ব্রম্মা, ও শিবের উপাশনা শুরু করে তাদের ইকান্তিক প্রচেষ্টায় মহালয়া তিথিতে দেবি মহামায়া দুর্গার আবির্ভাব ঘটে এবং সকল অসুরদের বিনাশের মাধ্যমে দেবতদের ও মুনিঋষি্দের রক্ষা করা হয়। সেই থেকে মানব ধর্মের কল্যানে প্রতিবছর আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষে ষষ্টি তিথি থেকে দশমি তিথি পর্যন্ত  দেহু অসুর ও সংসার অসুর বিনাশের লক্ষে শ্রী শ্রী সারদীয়া দেবী দূর্গার পূজা করা হয়। তারি দারাবাহিকতায় বংশপম্পরায় এই গ্রমেও    প্রতি বছর জগৎ , দেশ ও পরিবারের কল্যানে সারদিয় দুর্গা পূজার উদজাপন করা হয়।  গামের হিন্দু পরিবারগোলোর আর্থিক অবস্থা অভাব অনঠন থাকায় পুজা  পালন করা অনেক কষ্টসাধ্য হয়ে পরে। কিন্তু গ্রমের পরিবার গুলো এলাকার সকল মানুষদের নিয়ে এই পুজা সম্পন্য করে আসছে। আমাদের বর্তমান সাংসদ বাবু অসীম কুমার এম,পি মহোদয়ের সার্বিক সহযোগীতায় এবং উনার উদারতায় (২০০০০০) দুই লক্ষ টাকা অনুদানে বর্তমানে মন্দিরের কজের অনেক অগ্রগতি পাচ্ছে এবং মন্দিরের বিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করে কাজ চলমান । আশাকরছি আগামী সারদীয়া  দুর্গাপূজার আগে কাজের সমাপ্তি হতে পারে। 

মন্তব্য করুন