Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ০৩:০৪ অপরাহ্ণ

কারো ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অনৈতিক আচরণ যা পরিত্যাজ্য
টাইমস্কেল কেঁটে রেখে বাকি টাকা দেওয়া-  ডিপিইও মহোদয়ের কোন এখতিয়ার নেই।
 নিজে  পড়ুন , অন্যকে  পড়ার সুযোগ করে দিন। 
# চুয়াডাঙ্গার ডিপিইও মহোদয় কর্তৃক চার জন জাতীয় করণকৃত শিক্ষকের  টাইমস্কেলের  টাকা কেঁটে  বাকি টাকার বরাদ্দ প্রাপ্তির জন্য ডিজি মহোদয়ের নিকট চিঠি লিখলে তার উত্তরে মহাপরিচালক মহোদয় চাহিত নির্দেশ নিম্নে উল্লেখ করা হলো। আশা করি সাধারণ  শিক্ষক  ও  জেলা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় গণকে সচেতন হতে এই পত্রটি সাহায্য করবে।

 ডিপিইও কর্তৃক১৬ মে ২২ করা আবেদনের প্রতি উত্তরে ৩০ আগস্ট ২২  ডিজি অফিস   জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের টাইমস্কেল কাঁটতে হলে   নিম্নে চাহিদা পুরন করতে হবে।
১# শিক্ষকের টাইমস্কেলের  মঞ্জুরী আদেশের  কপি।

২#শিক্ষকের টাইমস্কেল বাতিল আদেশ এবং আদেশ বাতিল পুর্বক  অতিরিক্ত গৃহীত অর্থ  সমন্বয়ের প্রশাসনিক আদেশ। 

৩#অতিরিক্ত গৃহীত অর্থ ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে  সরকারি কোষাগারে জমাদান কপি বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রেরণ 
এবং 
৪#দাবি সঠিক আছে।দাবি কৃত বকেয়া পাওনা প্রদানের জন্য  সুপারিশ করা হলো মর্মে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সুপারিশ (আছে কিনা?)
 @#এই চিঠি দ্বারা স্পষ্ট করা হয়েছে যে  যেই সমস্ত শিক্ষক ভাইবোন টাইমস্কেল কেঁটে বাকি নিয়ে যাচ্ছেন  বা এই অনিয়মাতান্তিক ভাবে টাকা  আহরোণ করছেন তার কোন আইনগত ভিত্তি নেই।চাহিত নির্দেশের কোন প্রকার উত্তর কোন ডিপিইও মহোদয়ের নিকট নেই। অর্থাৎ 
ডিপিইও মহোদয় এই ভাবে টাকা কেঁটে বাকি  টাকা দেয়ার ক্ষমতা রাখেন না।
আশা করি যেই সমস্ত ভাই- বোন অভাবের তাড়নায়  টাকা উত্তোলন করছেন। তার কোন  ভিত্তি নেই। সুতরাং  সাধু সাবধান।আম ও যাবে, চালা ও যাবে।
মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট