Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

২৪ নভেম্বর, ২০২২ ০৯:৫০ অপরাহ্ণ

বাল্যবিবাহের কারণে হৃদযন্ত্রের সমস্যা হতে পারে? ( মেয়ের ক্ষেত্রে)

বাল্যবিবাহের কারনে একটা মেয়ের শারীরিক অনেক সমস্যা হয়। ধরেন একটি মেয়ে ১০ বছরে বিয়ে করলো। মেয়েটির নারী অংগ বা স্তন ও যোনী তখন পুরোপুরি মহিলাদের মতো হয় নি। অনেক ছোট থাকে। সেই জায়গায় যদি কিছু প্রবেশ করতে যায়, আমি বলছি পুরুষের লিংগের কথা। তখন মেয়েটির প্রচন্ড কষ্ট হয়।

সেই কারনে রক্তপাতও হয়। মেয়েটি মানসিকভাবে একটা ট্রমার মধ্য দিয়ে যায়। মেয়েটির যখন বিয়ে হয় তখন তাকে হয়তো বলা হয় স্বামী হয়তো এরকম করবে, ও রকম করবে। তুমি ভয় পেয়ো না। এগুলো স্বামীরা করে। তুমি কান্নাকাটি বা আপত্তি করো না। আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু এসব বললেও একটা লোক যখন মেয়েটির কাছে বসে ও আদর করতে জড়িয়ে ধরতে যায় তখন মেয়েটির অস্বস্থি লাগা শুরু হয়। এসব কিন্তু বড় প্রাপ্তবয়স্কের ক্ষেত্রে কম হয়। কারন সে জানে যে বিয়ের পরে কি করতে হয় কিন্তু ছোট বাচ্চা মেয়ে তো জানে না এসব। তাই মানসিকভাবে সে খুবই খারাপ পরিস্থিতিতে পরে।

আর শারীরিকভাবে তার জরায়ুতে সমস্যা দেখা দেয়ার সম্ভাবনা বেশি হয়ে যায়। অনেক সময় মেয়েটি মারা পর্যন্ত যায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের কারনে।

হার্টের সমস্যার চেয়ে মাসিকের সমস্যা ও জরায়ু প্রদাহ বেশি হয়। শরীর থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের কারনে তার শরীর অপুষ্টিতে ভুগতে থাকে৷ যোনীতে ব্যাথা করে। এসব সে কাউকে বলতে পারে না লজ্জায়। নিজের ভিতরে রেখে দেয় সামাজিক বিধি নিষেধের কারনে।৷ বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে অতীতে এটা মহামারীর মতো ছিলো। এখন মানুষ সচেতন ও শিক্ষিত হচ্ছে বিধায় বাল্যবিবাহ এখন কিছুটা কম হয় তবে এখনও ১৪ বছরের মেয়েকে ১৮ দেখিয়ে বিয়ে দেয়া হয় অহরহ। গ্রামে বখাটে ছেলে ও গ্রামের পাড়া প্রতিবেশীদের চাপে মেয়ে স্কুল না পেরোতেই বিয়ের পিড়িতে বসে যায়।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট