প্রধান শিক্ষক
২১ মার্চ, ২০২২ ০৮:৫৯ অপরাহ্ণ
প্রধান শিক্ষক
ধরনঃ সাধারণ শিক্ষা
শ্রেণিঃ পঞ্চম
বিষয়ঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
অধ্যায়ঃ তৃতীয় অধ্যায়
মহাস্থানগড়ের প্রত্নতাত্তি্বক তথ্য থেকে জানা যায় খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দী থেকে পঞ্চাশ শতাব্দীর মধ্যে একটি সমৃদ্ধশালী জনপদ হিসেবে গড়ে ওঠে এই শহর। বেশ কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল ও অন্য সামন্ত রাজাদের রাজধানী ছিল। এটি চারদিকে প্রাচীর বেষ্টিত বিশাল উঁচু এলাকা। মাটির নিচে থেকে বের হয়ে আসা অত্যন্ত মজবুত কাঠামোর এই প্রাচীর জানিয়ে দেয় কতটা মজবুত ও সুন্দর ছিল সেই নগরী। দৈর্ঘ্যে প্রায় ৫০০০ ফুট, প্রস্থে ৪৫০০ ফুট, ভূমি থেকে উচ্চতা প্রায় ৪০-৪৫ ফুট।
এখানে পোড়ামাটির ফলক ও ভাস্কর্য, স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, পাথর ও কাচের পুঁতি পাওয়া গেছে। গোবিন্দভিটা লক্ষ্মীন্দরের মেধ ও গোকুল মেধ নামের কয়েকটি ধর্মীয় পুরাকীতি পাওয়া গেছে। এখানে প্রাচীনকালের একটি দুর্গ ভাঙা অবস্থায় এখনো দেখতে পাওয়া যায়। দুর্গটির পূর্বদিকে করতোয়া নদী এবং অন্য তিন দিকে চওড়া খাদের চিহ্ন রয়েছে। দুর্গের ভেতরে 'খোদাই পাথর' নামে পরিচিত এক টুকরা বিশেষ ধরনের পাথর পাওয়া গেছে। মহাস্থানগড়ের দক্ষিণ-পূর্ব কোনে মোগল আমলে নির্মিত এক গম্বুজের একটি মসজিদ রয়েছে, যা 'মহাস্থান মসজিদ' নামে পরিচিত।