Loading..

পাঠসংশ্লিষ্ট ছবি/ইমেজ

রিসেট

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০১:৫০ পূর্বাহ্ণ

" আমাদের অর্থনীতিঃ কৃষি ও শিল্প " শ্রেণি- পঞ্চম।

বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। বেশির ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে যুক্ত। বাংলাদেশের জনসংখ্যার শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল

 বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ। সুজলা-সুফলা বাংলার উর্বর ভূমিতে নানা ফসল ফলে। যেসব কৃষি পণ্য বিদেশে রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে। বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল হলো পাট, চা, তামাক। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের নিুলিখিতভাবে সহায়তা করে।

পাট : পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরি কৃষি দ্রব্য। পৃথিবীতে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণ পাট উৎপন্ন হয়। পাট ও পাটজাত দ্রব্য রফতানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এ জন্য বাংলাদেশে পাটকে ‘সোনালি আঁশ’ বলা হয়। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৪৫ লাখ মেট্রিক টন পাট উৎপন্ন হয়। এ দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ফলে বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের ওপর নির্ভরশীল।

চা : পাটের মতো চা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের জলবায়ু চা চাষের জন্য উপযোগী। বাংলাদেশে অনেক চা বাগান রয়েছে। প্রতি বছর বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ চা উৎপন্ন হয়। এ দেশের চাহিদা পূরণ করে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চা বিদেশে রফতানি করা হয়। বিদেশে বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম রয়েছে। চা রফতানি করে বাংলাদেশ প্রতি বছর অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

তামাক : বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে তামাক চাষ হয়। এসব অঞ্চলে দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন জাতের তামাক চাষ হয়। বাংলাদেশ তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য রফতানি করে প্রতি বছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। তবে তামাক মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। ফলে এর চাষ নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। এগুলো ছাড়া বাংলাদেশে তুলা, সুপারি, রেশম, রাবার ইত্যাদি অর্থকরি কৃষি দ্রব্য উৎপন্ন হয়। তা ছাড়া বাংলাদেশের কৃষকরা কিছু ভিন্ন ধরনের উৎপাদনমুখী কাজও করে থাকেন। যেমন : আপেল, বরই চাষ, স্ট্রবেরি চাষ, মাছ চাষ এবং হাঁস-মুরগি পালন।

সুতরাং; বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে কৃষি আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মন্তব্য করুন

সম্পর্কিত পোস্ট