আমাদের দেশে টক জাতীয় কিছু ফলের মধ্যে কামরাঙ্গা অন্যতম। এই ফলে আছে পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস, সুগার (কম পরিমাণে) সোডিয়াম, এসিড ইত্যাদি। কিন্তু কামরাঙ্গাতে আছে এমন একটি উপাদান যা মানবদেহের মস্তিষ্কের জন্য বিষ। সাধারণ মানুষেরা কামরাঙ্গা খেলে, কিডনি তা শরীর থেকে বের করে দেয়। কিন্তু কিডনি রোগীর দুর্বল কিডনি শরীর থেকে এই বিষ বের করে দিতে সক্ষম নয়। এর ফলে তা রক্ত থেকে আস্তে আস্তে দেহের মস্তিষ্কে প্রবেশ করে এবং বিষক্রিয়াও ঘটাতে পারে। এই সমস্যার লক্ষণগুলো হল :
১। ক্রমাগত হেঁচকি দেয়া
২। দেহ দুর্বল হয়ে যাওয়া
৩। মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব ও মাথা কাজ না করা
8। দেহে মৃগী রোগীর মত কাঁপুনি উঠা
৫। কোমায় চলে যাওয়া ও শেষ পর্যন্ত মৃত্যু
কামরাঙ্গা খাওয়ার পর কিডনী রোগীর মধ্যে এই ধরণের লক্ষন গুলো দেখা দিলে দ্রুত তার hemodialysis এর ব্যবস্থা নিতে হবে। কামরাঙ্গাতে এমন একটি উপাদান আছে যা কিডনি রোগীর জন্য খুব ক্ষতিকর। এই ক্ষতিকর উপদানটির নাম caramboxin ।
কামরাঙ্গার উপকারিতা :
* এতে থাকে এলজিক এসিড যা খাদ্যনালির (অন্ত্রের) ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।
* কামরাঙ্গা পুড়িয়ে ভর্তা করে খেলে ঠান্ডাজনিত (সর্দিকাশি) সমস্যা সহজেই ভালো হয়ে যায়।
* এর মূল বিষনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
* কামরাঙ্গা ভর্তা রুচি ও হজমশক্তি বাড়ায়।
* পেটের ব্যথায় কামরাঙ্গা খেলে উপকার পাওয়া যায়।
* শুকানো কামরাঙ্গা জ্বরের জন্য খুবই উপকারী।
স্বাস্থ্যমূলক উপদেশ পেতে চোখ রাখুন আমাদের পেজ এ !
AFC Smart Health- "২৪ ঘন্টায় নির্ভেজাল ওষুধ আপনার দোরগোড়ায় !"