Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৫:৩৯ অপরাহ্ণ

স্কুলছাত্র অপ্রতিম হ/ত্যা, চার্জশিটে যা বলছে পুলিশ
Bikash to get government education stipends (300x250)
Presidency University admission (300x250) 20-08-26


চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতে বাধা দেওয়ায় অপ্রতীমকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়।

#স্কুলছাত্র #ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম #দৈনিক শিক্ষা #দৈনিক শিক্ষার আলো

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান স্কুলছাত্র ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। গত ২০ অক্টোবর চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, আমাদের কাজ শেষ করে চার্জশিট আদালতে পাঠিয়েছি। এখন বাকী কাজ আদালত করবে।

National University Convocation

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতে বাধা দেওয়ায় অপ্রতীমকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাফ্ফর হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসানকে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া পরিকল্পনায় জড়িত ছিল সিয়াম।

পুলিশের তদন্তে বলা হয়েছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়সংলগ্ন সানন্দা এলাকার পাহাড়ঘেরা নির্জন বনে যায় তুহিন। সেখানে অপ্রতীমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে সে বাধা দেয়। এ নিয়ে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তুহিন প্রথমে এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে অপ্রতীমের মৃত্যু হয় বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদ ও কামরুলকে আটক করা হয়। তুহিনের বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতীমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।

Presidency University admission (300x250) 20-08-26

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তার মোবাইল ফোন নিয়ে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

নিহত অপ্রতিম কুমিল্লার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার একজন ব্যবসায়ী।

মামলার বাদী অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, গতকাল তদন্তকারী কর্মকর্তা জানান, আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন। ছেলেকে ঘিরেই আমাদের বাঁচার স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন খুনিরা কেড়ে নিয়েছে। খুনিদের দ্রুত বিচার চাই। আদালতে দ্রুত সময়ের মধ্যে খুনিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে সেই আশা করছি। বয়সের ফারাকে যেন আসামিরা বেরিয়ে যেতে না পারে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ