Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৫:৩২ অপরাহ্ণ

প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার বেড়ে ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশ
Bikash to get government education stipends (300x250)
Presidency University admission (300x250) 20-08-26


প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার ছিল ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে তা কমে ১৭ দশমিক ২ শতাংশ হয়। ২০২১ খ্রিষ্টাব্দে ঝরে পড়ার হার আরো কমে দাঁড়ায় ১৪ দশমিক ১৫ শতাংশে।

#শিক্ষার্থী #প্রাথমিক বিদ্যালয় #দৈনিক শিক্ষা #দৈনিক শিক্ষার আলো

প্রাথমিক শিক্ষায় শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমার ধারায় ছেদ পড়েছে। ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশে নেমে এলেও ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে তা বেড়ে ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ঝরে পড়ার হার বেড়েছে ৩ দশমিক ১ শতাংশ পয়েন্ট।

সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২৫ প্রতিবেদনের প্রাথমিক শিক্ষা অধ্যায়ের তথ্য থেকে এ চিত্র পাওয়া গেছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় শুমারি ২০২৪-এর তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

National University Convocation

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দের প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার ছিল ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ। ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে তা কমে ১৭ দশমিক ২ শতাংশ হয়। ২০২১ খ্রিষ্টাব্দে ঝরে পড়ার হার আরো কমে দাঁড়ায় ১৪ দশমিক ১৫ শতাংশে। ২০২২ খ্রিষ্টাব্দে এ হার ছিল ১৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে কমে ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশে নেমে আসে। তবে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে আবারো ঊর্ধ্বমুখী হয় এ হার।

শ্রেণিভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে চতুর্থ শ্রেণিতে ঝরে পড়ার হার সবচেয়ে বেশি, ৭ দশমিক ৯ শতাংশ। তৃতীয় শ্রেণিতে এ হার ৫ দশমিক ৯ শতাংশ। দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৪ শতাংশ, পঞ্চম শ্রেণিতে শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং প্রথম শ্রেণিতে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে।

এর আগের বছর, ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে চতুর্থ শ্রেণিতে ঝরে পড়ার হার ছিল ৪ দশমিক ৫ শতাংশ। তৃতীয় শ্রেণিতে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২ দশমিক ৬ শতাংশ, প্রথম শ্রেণিতে ২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পঞ্চম শ্রেণিতে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ ছিল এ হার। অর্থাৎ ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে ঝরে পড়ার হার বেড়েছে।

Presidency University admission (300x250) 20-08-26

প্রতিবেদনের দীর্ঘমেয়াদি তথ্য বলছে, ২০১২ খ্রিষ্টাব্দে প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার ছিল ২৬ দশমিক ২ শতাংশ। ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে তা কমে ২১ দশমিক ৪ শতাংশ হয়। ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে এ হার ছিল ২০ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে ২০ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দে ঝরে পড়ার হার কমে ১৯ দশমিক ২ শতাংশে দাঁড়ায়। ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে তা আরো কমে ১৮ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে ১৮ দশমিক ৬ শতাংশ হয়।

প্রাথমিক শিক্ষা শেষে টিকে থাকার হার কমেছে: প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষায় টিকে থাকার হার ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে ছিল ৮৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে তা কমে ৮৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ হয়েছে। অর্থাৎ এক বছরে এ হার কমেছে ২ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

ছাত্রদের ক্ষেত্রে টিকে থাকার হার ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে ৮৫ দশমিক ৯১ শতাংশ থেকে কমে ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে হয়েছে ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ। ছাত্রীদের ক্ষেত্রে এ হার ৮৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৮৬ দশমিক ৮৩ শতাংশে।

তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রাথমিক শিক্ষা শেষে টিকে থাকার হার ছাত্রদের তুলনায় মেয়েদের বেশি ছিল। ওই বছর ছাত্রীদের টিকে থাকার হার ছিল ৮৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ, আর ছাত্রদের ছিল ৮১ দশমিক ২৩ শতাংশ।

মন্তব্য করুন

ব্লগ