Loading..

ব্লগ

রিসেট

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৪৭ অপরাহ্ণ

ছাত্রীকে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভা/ঙ/চুর


ধর্ষণের শিকার ছাত্রী বুধবার বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানায়। পরে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালান। পাঁচতলা একটি ভবনে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়ি অবস্থিত। এ সময় ভবন থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

#ছাত্রী #শিক্ষক #মাদ্রাসা #ধর্ষণ

ঢাকার সাভারে ১৩ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল বারীর (৫০) বাড়ি এবং মাদ্রাসায় ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্তের স্ত্রী ও ছেলেকে উদ্ধারের সময় জনতার ঘেরাওয়ের মুখে পড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত এ পরিস্থিতি চলে বলে জানিয়েছেন সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোশাররফ হোসেন।

প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি বলেন, ধর্ষণের শিকার ছাত্রী বুধবার বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানায়। পরে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালান। পাঁচতলা একটি ভবনে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়ি অবস্থিত। এ সময় ভবন থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ওই ব্যক্তি বলেন, খবর পেয়ে বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল মাদ্রাসায় যায়। তখন অভিযুক্ত শিক্ষক বাড়িতে না থাকলেও তার স্ত্রী ও ছেলে সেখানে ছিলেন। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় স্থানীয়রা ভবনটিতে ভাঙচুর শুরু করেন। ফলে পুলিশসহ সেখানে থাকা অন্য ব্যক্তিরাও আটকা পড়েন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমরাও পুলিশের সঙ্গে ভবনের ভেতরে আটকা পড়েছিলাম।

পরে সাভার থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল ঘটনাস্থলে যায়। পরিদর্শক মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। তাদের থানায় নেওয়ার পর স্থানীয়রা আবারও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক দল মোতায়েন ছিল।

মন্তব্য করুন

ব্লগ