সহকারী শিক্ষক
১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৪৯ অপরাহ্ণ
শতবর্ষী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান: চর আবাবিল রচিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়
সাত শতাধিক শিক্ষার্থীর বিদ্যাপীঠ: বিদ্যালয়টিতে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হয়। বর্তমানে এখানে সাত শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন ২৩ জন। নির্ধারিত পাঠ্যক্রম অনুসারে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
দীর্ঘদিনের পথচলায় প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের সন্তানদের মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির অবদান উল্লেখযোগ্য।
জাতীয়করণের প্রত্যাশা: বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. তাজুল ইসলাম দৈনিক আমাদের বার্তাকে বলেন, নদীভাঙনসহ নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও শতবর্ষী এ প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত দরিদ্র জনপদে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। বিদ্যালয়টির আওতাধীন এলাকায় অন্য কোনো সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। সবচেয়ে কাছের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়টিও প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ফলে এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, স্থানীয় অসচ্ছল পরিবারের সন্তানদের নামমাত্র বেতনে যুগোপযোগী ও মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে বিদ্যালয়টির ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিষ্ঠানটি জাতীয়করণের প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করেছে বলে দাবি করে তিনি এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
প্রধান শিক্ষক আরও বলেন, শতবর্ষী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা হলে শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণের পথ আরও সুগম হবে। এ জন্য তিনি স্থানীয় এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
ঐতিহ্য রক্ষায় প্রয়োজন কার্যকর উদ্যোগ প্রতিষ্ঠার পর এক শতাব্দীরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও চর আবাবিল রচিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষাসেবা থেমে নেই। মেঘনাপাড়ের প্রতিকূল পরিবেশে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটি যে ভূমিকা রেখে চলেছে, তা স্থানীয় শিক্ষাব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
শিক্ষানুরাগী রচিম উদ্দিন হাওলাদারের সেই উদ্যোগ আজ বহু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গড়ার ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করার পাশাপাশি জাতীয়করণের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হলে এলাকার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক শিক্ষাডটকমের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রি
৮
৮ মন্তব্য