ডেঙ্গু হলো স্ত্রী এডিস মশা কামড়ানোর মাধ্যমে ছড়ানো একটি ভাইরাসজনিত জ্বর [০.৬.৪]।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান (বাংলাদেশ, অক্টোবর ২০২৬)
- গত ২৪ ঘণ্টা: নতুন করে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১,১৮১ জন এবং মারা গেছেন ৪ জন [০.৫.৫]।
- চলতি বছর (জানুয়ারি থেকে ১৬ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত): মোট আক্রান্ত ১,০৮,৪৪০ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৩৫ জনের [০.৫.৫]।
- হঠাৎ করে তীব্র জ্বর (১০২° থেকে ১০৪° ফারেনহাইট বা তার বেশি) [০.৬.৬]।
- প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা [০.৬.৩]।
- শরীরের পেশি, হাড় ও জোড়ে তীব্র ব্যথা [০.৬.৩]।
শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা র্যাশ ওঠা [০.৬.৩]।বমি ভাব বা বমি হওয়া [০.৬.৩]।বিপজ্জনক লক্ষণ (ঝুঁকিপূর্ণ ডেঙ্গু)
জ্বর কমার পর বা চলাকালীন নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে [০.৬.৮]:
- তীব্র পেট ব্যথা বা বারবার বমি [০.৬.৬]।
- নাক, মাড়ি বা পায়খানার সাথে রক্তক্ষরণ [০.৬.৬]।
- অতিরিক্ত দুর্বলতা বা নিস্তেজ হয়ে পড়া [০.৬.৬]।
- শরীরের তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়া বা হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া [০.৬.৬]।
- ওষুধ: চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কেবল প্যারাসিটামল খাওয়া যাবে [০.৬.৪]। কোনো অবস্থাতেই অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন বা ডাইক্লোফেন্যাক জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যাবে না [০.৬.৪, ০.৬.১৩]।
- তরল খাবার: প্রচুর পরিমাণে পানি, ডাবের পানি, ওরস্যালাইন ও ফলের জুস খেতে হবে [০.৬.৬]।
- বিশ্রাম: সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে [০.৬.১৩]।
- পরীক্ষা: জ্বর হওয়ার ৩ থেকে ৫ দিনের মধ্যে রক্তে NS1 Antigen এবং CBC (প্লাটিলেট ও হিমোগ্লোবিন) পরীক্ষা করাতে হবে [০.৬.৬]।
- ঘরের আশপাশে ও জমানো পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা ডিম পাড়ে [০.৬.৩]; তাই ফুলের টব, এসি বা ফ্রিজের নিচে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
- দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করতে হবে এবং মশা তাড়ানোর ক্রিম বা স্প্রে ব্যবহার করা উচিত।
২
৪ মন্তব্য