সহকারী শিক্ষক
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০২:০১ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
দীর্ঘ অপেক্ষার পর সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬-এর (National 9th Pay Scale Gazette 2026 PDF) প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে কয়েক মাস ধরে যে অপেক্ষা ছিল, তা এখন শেষ হওয়ার পথে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় বা বিজি প্রেসে প্রজ্ঞাপন ছাপার কাজ চলছে এবং শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ দুপুরের পর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
অফিসিয়াল গেজেট দেখার ওয়েবসাইট: 9th Pay Scale Gazette
নতুন এই বেতন কাঠামো শুধু সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন বাড়ানোর বিষয়েই সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বেতন নির্ধারণ, ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন, বিভিন্ন ভাতা, পেনশন এবং সরকারি চাকরিজীবীদের সামগ্রিক আর্থিক সুবিধার পরিবর্তন। মন্ত্রিসভা গত ৩১ আগস্ট জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদন করার পর থেকেই মূলত প্রজ্ঞাপনের অপেক্ষায় ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। নতুন কাঠামোর কার্যকর তারিখ ধরা হয়েছে ১ জুলাই ২০২৬।
নবম জাতীয় পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ক্ষেত্রে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলো আইনগত যাচাই বা ভেটিং শেষ হওয়া এবং বিজি প্রেসে মুদ্রণের কাজ এগিয়ে যাওয়া। ১৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রজ্ঞাপন শনিবার দুপুরের পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হতে পারে।
এর আগে প্রজ্ঞাপনের খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। ভেটিং শেষ হওয়ার পর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এগিয়ে যায়। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলা অপেক্ষার অবসান ঘটার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
তবে একটি বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন—গেজেট প্রকাশের খবর এবং গেজেটের পূর্ণ সরকারি কপি হাতে পাওয়া এক বিষয় নয়। তাই প্রজ্ঞাপনের PDF বা বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত চূড়ান্ত নথি পাওয়া গেলে সেখানে থাকা ধারা, ভাতা, কার্যকর তারিখ ও বাস্তবায়নের নিয়মই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
নবম জাতীয় পে-স্কেলের মূল কাঠামো গত ৩১ আগস্ট ২০২৬ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়। এরপর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের জন্য প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়। নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থাৎ প্রজ্ঞাপন সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত হলেও নতুন কাঠামোর কার্যকারিতা জুলাই থেকে ধরা হবে। এ কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বকেয়া বেতন, বেতন ফিক্সেশন এবং ধাপে ধাপে নতুন বেতন পাওয়ার বিষয়টি নিয়েও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
নবম জাতীয় পে-স্কেলে সরকারি চাকরির বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। অর্থাৎ গ্রেডের সংখ্যা পরিবর্তন করা হচ্ছে না। পরিবর্তন আসছে মূল বেতনের পরিমাণে এবং ধাপে ধাপে তা কার্যকর করার পদ্ধতিতে।
নতুন কাঠামোয় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে ১ম ও ২০তম গ্রেডের বেতন। নতুন হিসাবে ১ম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা হবে। অন্যদিকে ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
অর্থাৎ সর্বোচ্চ গ্রেডে মূল বেতন দ্বিগুণ হচ্ছে, আর সর্বনিম্ন গ্রেডে বৃদ্ধির হার আরও বেশি।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রথম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত নতুন মূল বেতন বর্তমান মূল বেতনের প্রায় দ্বিগুণ করার কাঠামো রাখা হয়েছে। ১২তম থেকে ২০তম গ্রেডে বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি। নিচের তালিকাটি প্রকাশিত নতুন বেতন কাঠামোর প্রারম্ভিক মূল বেতনভিত্তিক হিসাব।
গ্রেড | বর্তমান মূল বেতন | নতুন মূল বেতন | মোট বৃদ্ধি |
১ম | ৭৮,০০০ | ১,৫৬,০০০ | ১০০% |
২য় | ৬৬,০০০ | ১,৩২,০০০ | ১০০% |
৩য় | ৫৬,৫০০ | ১,১৩,০০০ | ১০০% |
৪র্থ | ৫০,০০০ | ১,০০,০০০ | ১০০% |
৫ম | ৪৩,০০০ | ৮৬,০০০ | ১০০% |
৬ষ্ঠ | ৩৫,৫০০ | ৭১,০০০ | ১০০% |
৭ম | ২৯,০০০ | ৫৮,০০০ | ১০০% |
৮ম | ২৩,০০০ | ৪৬,০০০ | ১০০% |
৯ম | ২২,০০০ | ৪৪,০০০ | ১০০% |
১০ম | ১৬,০০০ | ৩২,০০০ | ১০০% |
১১তম | ১২,৫০০ | ২৫,০০০ | ১০০% |
১২তম | ১১,৩০০ | ২৪,৩০০ | প্রায় ১১৫% |
১৩তম | ১১,০০০ | ২৪,০০০ | প্রায় ১১৮% |
১৪তম | ১০,২০০ | ২৩,৫০০ | প্রায় ১৩০% |
১৫তম | ৯,৭০০ | ২২,৬০০ | প্রায় ১৩৫% |
১৬তম | ৯,৩০০ | ২১,৯০০ | প্রায় ১৩৫% |
১৭তম | ৯,০০০ | ২১,৮০০ | প্রায় ১৩৮% |
১৮তম | ৮,৮০০ | ২১,০০০ | প্রায় ১৩৯% |
১৯তম | ৮,৫০০ | ২০,৫০০ | প্রায় ১৪১% |
২০তম | ৮,২৫০ | ২০,০০০ | প্রায় ১৪২% |
এই হিসাবে দেখা যাচ্ছে, নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে মূল বেতন বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি রাখা হয়েছে। ২০তম গ্রেডে বৃদ্ধির হার প্রায় ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত যাচ্ছে।
নবম পে-স্কেলের অন্যতম বড় পরিবর্তন হচ্ছে ২০তম গ্রেডের বেতন। বর্তমানে এই গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা। নতুন কাঠামোয় সেটি বেড়ে ২০ হাজার টাকা হচ্ছে।
অর্থাৎ ২০তম গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন প্রায় ১৪২ শতাংশ বাড়ছে। সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে যারা সবচেয়ে কম মূল বেতন পান, তাদের আয় বৃদ্ধিতে এই পরিবর্তনের বড় প্রভাব পড়তে পারে।
তবে মূল বেতন ২০ হাজার টাকা হওয়া মানেই মাসিক মোট বেতন ২০ হাজার টাকা নয়। মূল বেতনের সঙ্গে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়ক, উৎসবসহ অন্যান্য প্রযোজ্য ভাতা যোগ হলে মোট প্রাপ্য অর্থ আরও বেশি হবে।
নতুন কাঠামোয় সর্বোচ্চ ১ম গ্রেডের মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। বর্তমানে এই গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা। ফলে নতুন কাঠামোয় তা দ্বিগুণ হচ্ছে।
এখানেও মনে রাখতে হবে, ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা হলো মূল বেতন। একজন সরকারি কর্মকর্তা বাস্তবে যে মোট বেতন ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন, তা তাঁর কর্মস্থল, প্রাপ্য ভাতা, পদ এবং অন্যান্য নিয়মের ওপর নির্ভর করবে।
নতুন কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো প্রথম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত। এর ফলে নবম গ্রেডের মূল বেতন ২২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৪৪ হাজার টাকা, দশম গ্রেডের ১৬ হাজার টাকা থেকে ৩২ হাজার টাকা এবং ১১তম গ্রেডের ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২৫ হাজার টাকা হবে।
নবম গ্রেডটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিসিএস ক্যাডারসহ বিভিন্ন সরকারি পদে এই গ্রেডে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে অন্যান্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদও এই গ্রেডে রয়েছে।
নতুন কাঠামোর দিকে তাকালে দেখা যায়, ১২তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য তুলনামূলক বেশি হারে মূল বেতন বাড়ানো হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হিসেবে কম আয়ের সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি সামনে এসেছে।
বিশেষ করে ২০তম গ্রেডে প্রায় ১৪২ শতাংশ, ১৯তম গ্রেডে প্রায় ১৪১ শতাংশ এবং ১৮তম গ্রেডে প্রায় ১৩৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির হিসাব পাওয়া যাচ্ছে।
এ কারণে নতুন পে-স্কেলে উচ্চ গ্রেডের তুলনায় নিম্ন গ্রেডে মূল বেতন বৃদ্ধির শতাংশ বেশি।
নতুন পে-স্কেলের ক্ষেত্রে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—চূড়ান্ত নতুন মূল বেতন একদিনে পুরোপুরি কার্যকর করার পরিবর্তে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৭ সালের জুলাইয়ের মধ্যে মূল বেতন তিন ধাপে কার্যকর হওয়ার কাঠামো রয়েছে।
প্রথম থেকে নবম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে নতুন বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ, দ্বিতীয় ধাপে আরও ৩০ শতাংশ এবং তৃতীয় ধাপে বাকি ৩০ শতাংশ কার্যকর করার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
অন্যদিকে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রথম ধাপে ৫০ শতাংশ, দ্বিতীয় ধাপে ২৫ শতাংশ এবং তৃতীয় ধাপে বাকি ২৫ শতাংশ কার্যকর করার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।
নবম গ্রেডের বর্তমান প্রারম্ভিক মূল বেতন ২২ হাজার টাকা। নতুন কাঠামোয় তা ৪৪ হাজার টাকা।
তিন ধাপে বাস্তবায়নের হিসাবে—
প্রথম ধাপে: ৩০,৮০০ টাকা
দ্বিতীয় ধাপে: ৩৭,৪০০ টাকা
তৃতীয় ধাপে: ৪৪,০০০ টাকা
অর্থাৎ চূড়ান্ত ধাপে নবম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ৪৪ হাজার টাকায় পৌঁছাবে।
তবে এটি প্রারম্ভিক মূল বেতনের উদাহরণ। পুরোনো কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বর্তমান মূল বেতন, চাকরির মেয়াদ, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট এবং বেতন নির্ধারণের নিয়ম অনুযায়ী হিসাব আলাদা হবে।
বর্তমান জাতীয় বেতন স্কেলে ১০ম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১৬ হাজার টাকা। নতুন কাঠামোয় এটি বেড়ে ৩২ হাজার টাকা হবে।
ধাপে বাস্তবায়নের হিসাবে প্রথম ধাপে ২৪ হাজার টাকা, দ্বিতীয় ধাপে ২৮ হাজার টাকা এবং তৃতীয় ধাপে ৩২ হাজার টাকা পর্যন্ত যাওয়ার হিসাব প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদে ১০ম গ্রেড গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এই পরিবর্তন নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদসহ বিভিন্ন পদ ১৩তম গ্রেডের আওতায় রয়েছে। নতুন কাঠামোয় ১৩তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১১ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২৪ হাজার টাকা হচ্ছে।
অর্থাৎ এই গ্রেডে মূল বেতন বৃদ্ধির হার প্রায় ১১৮ শতাংশ। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পর চূড়ান্ত মূল বেতন ২৪ হাজার টাকা হবে।
তবে কর্মরত পুরোনো কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ শুধু নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন দেখে করা হবে না। তাদের বর্তমান বেতন ও ইনক্রিমেন্টের হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হবে।
নতুন পে-স্কেলের ক্ষেত্রে শুধু মূল বেতন নয়, বিভিন্ন ভাতার বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়ক, উৎসব, বৈশাখীসহ বিভিন্ন সুবিধা পেয়ে থাকেন।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন হারে বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে পর্যন্ত বিদ্যমান ভাতাগুলো বহাল থাকার কথা বলা হয়েছে।
তবে গেজেটের চূড়ান্ত কপি প্রকাশিত হওয়ার পর প্রতিটি ভাতার হার, যোগ্যতা এবং কার্যকর তারিখ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিশ্চিত করা যাবে।
নতুন পে-স্কেলে সরকারি কর্মচারীদের জন্য মোবাইল ফোন বা মোবাইল যোগাযোগ-সংক্রান্ত ভাতার ব্যবস্থা রাখার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। সব গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য এই সুবিধা রাখার কথা জানানো হয়েছে।
এটি নতুন কাঠামোর একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। কারণ বর্তমান সময়ে সরকারি দায়িত্ব পালনে মোবাইল যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এই সুবিধাকে নতুন আর্থিক সুবিধার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন পে-স্কেলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্তের তথ্যও প্রকাশিত হয়েছে।
এই সুবিধা সরকারি কর্মচারীদের পারিবারিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সহায়তা হিসেবে কাজ করবে। তবে এ ভাতা পাওয়ার যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অন্যান্য শর্ত চূড়ান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন বা সংশ্লিষ্ট আদেশে স্পষ্ট হবে।
নবম পে-স্কেলের প্রভাব শুধু কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশনেও এর প্রভাব পড়ার কথা বলা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নিট পেনশনের বিভিন্ন স্তরের ওপর ভিত্তি করে বৃদ্ধির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হিসাব অনুযায়ী—
বর্তমান নিট পেনশন | প্রস্তাবিত বৃদ্ধি |
৯,০০০ টাকা বা কম | ১০০% |
৯,০০১–২০,০০০ টাকা | ৭৫% |
২০,০০১–৩০,০০০ টাকা | ৬৫% |
৩০,০০১–৪০,০০০ টাকা | ৬০% |
৪০,০০১ টাকা বা বেশি | ৫৫% |
এই পেনশন-সংক্রান্ত হারগুলো প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেওয়া সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে উল্লেখ করা হলো। চূড়ান্ত গেজেট ও সংশ্লিষ্ট সরকারি আদেশে কার্যকর নিয়ম ও শর্ত যাচাই করা প্রয়োজন।
নতুন কাঠামোর সঙ্গে পেনশন ব্যবস্থাতেও দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে। সামরিক ও অসামরিক ক্ষেত্রে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি এবং এর সঙ্গে যুক্ত বড় ধরনের আর্থিক প্রভাবের কারণে এটি একবারে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এর আওতায় আসবেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এত বিপুলসংখ্যক কর্মচারীর বেতন বাড়ানোর ফলে সরকারের নিয়মিত ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।
এই বড় আর্থিক ব্যয়ের কারণে সরকার একবারে পুরো কাঠামো বাস্তবায়নের পরিবর্তে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পথে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলোতে উঠে এসেছে।
গেজেট প্রকাশের পর সরকারি কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হবে নতুন বেতন ফিক্সেশন।
নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন আর একজন পুরোনো কর্মচারীর নতুন মূল বেতন সবসময় একই হবে না। কারণ পুরোনো কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতন, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, চাকরির মেয়াদ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতন নির্ধারণ করতে হবে।
এ কারণে কোনো কর্মচারী শুধু নিজের গ্রেডের নতুন প্রারম্ভিক বেতন দেখে ভবিষ্যৎ মোট বেতন নির্ধারণ করলে ভুল হতে পারে।
প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর অর্থ বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বেতন নির্ধারণের বিস্তারিত নিয়ম দিলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।
নতুন পে-স্কেলের কার্যকর তারিখ ১ জুলাই ২০২৬ হওয়ায় অনেক সরকারি কর্মচারীর মনে প্রশ্ন—গেজেট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কি নতুন বেতন পাওয়া যাবে?
বাস্তবে বিষয়টি এত সরল নয়। গেজেট প্রকাশের পর নতুন বেতন নির্ধারণ, অফিসভিত্তিক হিসাব, বেতন ফিক্সেশন এবং হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে হবে।
অর্থাৎ কার্যকর তারিখ ১ জুলাই হওয়া এবং ব্যাংক হিসাবে নতুন হারে বেতন জমা পড়া একই বিষয় নয়।
জুলাই থেকে নতুন কাঠামো কার্যকর হলে পরবর্তী সময়ে হিসাব সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রাপ্য অর্থ নির্ধারণ করা হতে পারে। তবে বকেয়া কীভাবে এবং কখন পরিশোধ করা হবে, সেটি চূড়ান্ত সরকারি নির্দেশনার ওপর নির্ভর করবে।
নতুন পে-স্কেলের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো বকেয়া। কারণ কার্যকর তারিখ ১ জুলাই ২০২৬ হলেও প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হচ্ছে সেপ্টেম্বর মাসে।
ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা জানতে চাইছেন, জুলাই ও পরবর্তী সময়ের নতুন বেতন কাঠামোর পার্থক্য কীভাবে সমন্বয় করা হবে।
এখানে মূল বিষয় হলো—নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। ফলে প্রত্যেক মাসের প্রাপ্য অর্থ নির্ধারণের পদ্ধতি সাধারণ ‘পুরোনো বেতন বনাম নতুন বেতন’ হিসাবের চেয়ে জটিল হতে পারে।
চূড়ান্ত গেজেট এবং পরবর্তী বাস্তবায়ন নির্দেশনায় বকেয়া বা পার্থক্যের হিসাব কীভাবে করা হবে, সেটিই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন পে-স্কেলের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নতুন নিয়োগ পাওয়া কর্মচারীদের বেতন।
ধরা যাক, একজন নতুন কর্মচারী নবম গ্রেডে যোগ দিলেন। তাঁর ক্ষেত্রে নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক মূল বেতন এবং তখন কার্যকর ধাপ অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ করা হবে।
অন্যদিকে বহু বছর ধরে চাকরিতে থাকা একই গ্রেডের একজন কর্মচারীর বেতন নির্ধারণে তাঁর পুরোনো মূল বেতন এবং ইনক্রিমেন্টের হিসাব থাকবে।
এ কারণে একই গ্রেডে থাকা দুই কর্মচারীর মোট বেতন একই হবে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
একজন কর্মচারী কত বছর চাকরি করেছেন, কতটি বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পেয়েছেন এবং বর্তমানে তাঁর মূল বেতন কত—এসব বিষয় নতুন বেতন নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
উদাহরণ হিসেবে, নবম গ্রেডের নতুন প্রারম্ভিক মূল বেতন ৪৪ হাজার টাকা হলেও দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করা কোনো কর্মচারীর বেতন শুধু ৪৪ হাজার টাকা ধরে হিসাব করা হবে না।
কারণ তাঁর বর্তমান মূল বেতন এবং চাকরির মেয়াদের ভিত্তিতে বেতন ফিক্সেশনের নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
সুতরাং নতুন পে-স্কেলের সবচেয়ে সঠিক হিসাব জানতে হলে শুধু গ্রেড নয়, কর্মচারীর বর্তমান বেসিক, ইনক্রিমেন্ট এবং চাকরির সময়কালও বিবেচনা করতে হবে।
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সঙ্গে বিদ্যমান ১৫ শতাংশ বিশেষ সুবিধা নিয়ে পরিবর্তনের কথাও প্রকাশিত তথ্যগুলোতে এসেছে। নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার সঙ্গে এই বিশেষ সুবিধা বাতিল বা অবসানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ফলে একজন সরকারি কর্মচারীর হাতে মোট যে অর্থ আসবে, তা শুধু নতুন মূল বেতন কত বাড়ল—এই একটি বিষয় দিয়ে বিচার করা যাবে না।
বর্তমান বিশেষ সুবিধা বন্ধ হওয়া, নতুন মূল বেতন বৃদ্ধি এবং পরবর্তী সময়ে নতুন ভাতা যুক্ত হওয়ার বিষয়গুলো একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
জাতীয় বেতন কাঠামো সরকারি কর্মচারীদের আয়, জীবনযাত্রা এবং অবসরকালীন সুবিধার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। দীর্ঘ সময় নতুন পে-স্কেল না আসার কারণে নতুন কাঠামো নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছিল।
২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের পর নতুন কাঠামো নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং বিভিন্ন পেশাগত শ্রেণির আর্থিক অবস্থার পরিবর্তনও নতুন বেতন কাঠামোর আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
নতুন পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন তুলনামূলক বেশি হারে বাড়ানোর বিষয়টি তাই বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়লে একদিকে তাদের ব্যয়ক্ষমতা বাড়তে পারে। অন্যদিকে সরকারের নিয়মিত ব্যয়ও বাড়বে।
প্রকাশিত হিসাবে অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয়ের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকা হতে পারে।
এই অর্থের সংস্থান সরকারের বাজেট ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নতুন পে-স্কেল ধাপে বাস্তবায়নের অন্যতম কারণ হিসেবেও সরকারের আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি সামনে এসেছে।
নবম পে-স্কেল নিয়ে বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো একসঙ্গে দেখলে বিষয়টি এমন—
প্রজ্ঞাপন: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশের প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে।
অনুমোদন: ৩১ আগস্ট ২০২৬ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন।
কার্যকর তারিখ: ১ জুলাই ২০২৬।
মোট গ্রেড: ২০টি।
সর্বনিম্ন নতুন মূল বেতন: ২০তম গ্রেডে ২০,০০০ টাকা।
সর্বোচ্চ নতুন মূল বেতন: ১ম গ্রেডে ১,৫৬,০০০ টাকা।
প্রথম থেকে ১১তম গ্রেড: মূল বেতন প্রায় দ্বিগুণ।
সর্বোচ্চ শতাংশ বৃদ্ধি: ২০তম গ্রেডে প্রায় ১৪২ শতাংশ।
মূল বেতন বাস্তবায়ন: তিন ধাপে।
নতুন ভাতা: বিভিন্ন ভাতা পরবর্তী ধাপে কার্যকর করার পরিকল্পনা।
পেনশন: পেনশনভোগীদের জন্যও বৃদ্ধির ব্যবস্থা।
মোবাইল ভাতা: নতুন কাঠামোয় যুক্ত করার তথ্য রয়েছে।
প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা: মাসে ৩ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্তের তথ্য রয়েছে।
নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কয়েকটি বিষয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
প্রথমত, বেতন ফিক্সেশন কীভাবে হবে—এটি পরিষ্কার হবে।
দ্বিতীয়ত, জুলাই থেকে প্রাপ্য বকেয়া বা বেতন পার্থক্য কীভাবে হিসাব করা হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা পাওয়া যাবে।
তৃতীয়ত, বিভিন্ন ভাতার সুনির্দিষ্ট হার ও যোগ্যতা স্পষ্ট হবে।
চতুর্থত, পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধা কীভাবে সমন্বয় হবে, তা জানা যাবে।
পঞ্চমত, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য কী ধরনের প্রশাসনিক নির্দেশনা দেওয়া হবে, সেটিও পরিষ্কার হবে।
পে-স্কেল অনুমোদনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তালিকা, বেতন চার্ট ও ভাতার হিসাব ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু কোনো নথি সরকারি গেজেট হিসেবে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সেগুলোকে চূড়ান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করা উচিত নয়।
বিশেষ করে বাড়িভাড়া, শিক্ষা ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, মোবাইল ভাতা, বৈশাখী ভাতা, উৎসব ভাতা এবং বকেয়া পরিশোধের নিয়মের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন ও পরবর্তী আদেশই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।
নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ এখন সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বাস্তবায়নের একেবারে শেষ ধাপে পৌঁছেছে। ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর আইনগত যাচাই এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করে প্রজ্ঞাপন মুদ্রণের কাজ বিজি প্রেসে এগিয়েছে। সর্বশেষ ১৯ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুরের পর প্রজ্ঞাপন প্রকাশের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
নতুন কাঠামোয় ২০টি গ্রেড বহাল থাকছে। ১ম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন দ্বিগুণ করার পাশাপাশি নিম্ন গ্রেডগুলোতে তুলনামূলক বেশি শতাংশে বেতন বাড়ানো হয়েছে।
তবে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নতুন বেতন একবারে পুরোপুরি কার্যকর না হয়ে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। মূল বেতন, ভাতা, বেতন ফিক্সেশন, বকেয়া এবং পেনশনের চূড়ান্ত হিসাব জানতে হলে গেজেটের পূর্ণাঙ্গ সরকারি নথি এবং পরবর্তী বাস্তবায়ন নির্দেশনা দেখা প্রয়োজন।
অর্থাৎ, নবম পে-স্কেলের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন শুধু বেতন বৃদ্ধিতে নয়; এর সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ, ভাতা, পেনশন এবং ভবিষ্যৎ আর্থিক সুবিধার কাঠামোতেও পরিবর্তন আসছে। গেজেট প্রকাশের পর এসব বিষয়ে আরও নির্দিষ্ট তথ্য সামনে আসবে।
২
২ মন্তব্য