প্রভাষক
০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৬:৪২ পূর্বাহ্ণ
প্রভাষক
স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর এখনো দেশের ৩ কোটি ৬৩ লাখ মানুষ নিরক্ষর। তারা পদে পদে ঠকছেন। শুধু অক্ষরজ্ঞান না থাকায় অনেক পেশাজীবী আজও ঘুষ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫-এর তথ্যানুযায়ী, দেশের সাত বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। সেই হিসাবে দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ২২ দশমিক ১ ভাগ মানুষ এখনো নিরক্ষর। সমীক্ষার তথ্যে উঠে এসেছে, ‘দেশের মোট জনসংখ্যা ১৭ কোটি ২২ লক্ষ ৮০ হাজার।’
আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো) নির্ধারিত এ বছর সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’। দিবসটি উপলক্ষ্যে গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘বাংলাদেশে সাক্ষরতা বিস্তারে গত কয়েক দশকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ এর তথ্য অনুযায়ী দেশে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ। এই অগ্রগতি আমাদের জন্য আশাব্যঞ্জক। দেশে ২০৩১ সালের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৬ থেকে ৯০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।’ এদিকে স্বাধীনতার পর থেকে দেশে সাক্ষরতার হার বেড়েছে। তবে শতভাগ সাক্ষরতা নিশ্চিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দারিদ্র্য। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দেশের দারিদ্র্যের হার যত কমেছে সাক্ষরতার হার তত বেড়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার ছিল ৮০ শতাংশের বেশি আর সাক্ষরতার হার ছিল মাত্র ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে দারিদ্র্যের সেই হার নেমে দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ৪ শতাংশে। গত ৫৫ বছরে দারিদ্র্যের হার কমেছে ৫৮ শতাংশ। অন্যদিকে এই সময়ে সাক্ষরতার হার বেড়েছে ৬১ দশমিক ১ শতাংশ।
২
৪ মন্তব্য