প্রধান শিক্ষক
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৬:১৪ অপরাহ্ণ
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি: প্রথম দিনে সার্ভার নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শিক্ষার্থীদের
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি: প্রথম দিনে সার্ভার নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শিক্ষার্থীদের
২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে আবেদন করতে পারছেন। প্রথম দিনে দেশের কিছু স্থানের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে কোনো সমস্যার মুখে পড়েননি বলে জানিয়েছেন। তবে কয়েকটি জায়গায় সকালে সাময়িক জটিলতার কথা জানালেও পরে স্বাভাবিকভাবে আবেদন করা গেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, প্রথমদিনে একটু চাপ থাকার ফলে কোথাও-কোথাও সাময়িক জটিলতা হতে পারে। তবে এটা ঠিক হয়ে যাবে।এদিকে, ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন বুধবার শুরু হয়ে চলবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা ভর্তি-সংক্রান্ত নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন। ভর্তির যোগ্যতা অনুযায়ী একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন।
ভর্তি নীতিমালা অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা হবে না। শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
আবেদনের সময় শিক্ষার্থীদের এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর, শিক্ষা বোর্ডের নাম, পাসের বছর, সচল মোবাইল নম্বর এবং পছন্দের কলেজগুলোর তথ্য প্রয়োজন হবে। আবেদন সাবমিট করার আগে ব্যক্তিগত ও পরীক্ষাসংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে যাচাই করে নিতে বলা হয়েছে।
পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের ফলে যাদের ফল পরিবর্তন হবে, তারাও নির্ধারিত সময়ে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত এসব শিক্ষার্থীর আবেদন গ্রহণ এবং একই সময়ে পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ থাকবে।
ভর্তি আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, কলেজগুলোর মোট আসনের ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে। বাকি ৭ শতাংশ আসন কোটার জন্য সংরক্ষিত থাকবে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
৭
৬ মন্তব্য