গরমের সময় এসি, ফ্রিজ, ফ্যানসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্র বেশি ব্যবহারের কারণে বিদ্যুৎ বিলও বেড়ে যায়। তবে শীতকালেও অনেকের প্রত্যাশার তুলনায় বেশি বিল আসে। অপ্রয়োজনে বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালু রাখা, বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে এমন বাতি ব্যবহার কিংবা ফ্রিজের সঠিক যত্ন না নেওয়ার মতো কিছু কারণে বিল বাড়তে পারে।তবে দৈনন্দিন ব্যবহারে কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চললে বিদ্যুৎ খরচ অনেকটাই কমানো সম্ভব। এমনকি এসি, ফ্রিজসহ প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার করেও বিল নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
সাধারণ বাল্বের বদলে এলইডি ব্যবহার
সাধারণ বাল্বের পরিবর্তে কম বিদ্যুৎ খরচ করে এমন এলইডি বা সিএফএল বাতি ব্যবহার করা যেতে পারে। এসব বাতি তুলনামূলক কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও পর্যাপ্ত আলো দেয়। ফলে দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ খরচ কমানো সম্ভব।
ফ্রিজ নিয়মিত ডিফ্রস্ট করুনফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমে গেলে এর শীতল করার সক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত ফ্রিজ ডিফ্রস্ট করা জরুরি। পাশাপাশি গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে না রেখে কিছুটা ঠান্ডা করে সংরক্ষণ করলে বিদ্যুৎ খরচ কমাতে সহায়তা করে
।ব্যবহার শেষে বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ রাখুনটিভি, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, মোবাইল চার্জারসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহারের পর শুধু রিমোট দিয়ে বন্ধ না করে সম্ভব হলে সুইচ বা পাওয়ার সংযোগও বন্ধ করে দিন। স্ট্যান্ডবাই অবস্থায় থাকা কিছু যন্ত্র সামান্য হলেও বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে।
এসি চালানোর সময় দরজা-জানালা বন্ধ রাখুনএসি ব্যবহারের সময় ঘরের দরজা, জানালা ও অন্যান্য খোলা অংশ ভালোভাবে বন্ধ রাখা উচিত। এতে ঠান্ডা বাতাস বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ কমে এবং এসিকে তুলনামূলক কম সময় কাজ করতে হয়। ফলে বিদ্যুৎ খরচও কমে।প্রয়োজন না হলে এসির পরিবর্তে সিলিং ফ্যান বা টেবিল ফ্যান ব্যবহার করাও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কার্যকর উপায়
।আরও যেভাবে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করবেনএকসঙ্গে অপ্রয়োজনীয় একাধিক বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালু না রাখা, দিনের আলো কাজে লাগানো এবং প্রয়োজন ছাড়া বাতি-ফ্যান বন্ধ রাখা উচিত। নিয়মিত ব্যবহারের অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলেও মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের ওপর তার প্রভাব পড়তে পারে।তাই বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের এসব সহজ নিয়ম মেনে চললে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানোর পাশাপাশি বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও সচেতন হওয়া সম্ভব।
৭
৬ মন্তব্য