সহকারী শিক্ষক
৩০ আগস্ট, ২০২৬ ০৯:০৪ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
শিক্ষকতার দীর্ঘ পথচলায় প্রতি বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি মৌসুম এলেই একটি চেনা দৃশ্য চোখে ভাসে: অভিভাবকের উদ্বিগ্ন মুখ, শিক্ষার্থীর অনিশ্চয়তা, আর নানা প্রশ্ন নিয়ে ছুটে আসা বিভিন্ন শ্রেণির অংশীজন। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রণীত ‘একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা’ হাতে নিয়ে প্রতিটি ধারা ধরে ধরে পড়ে একজন শিক্ষকের দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করছি।
আমাদের শিক্ষাজীবনের একটি বড় অংশজুড়ে কলেজে ভর্তি ছিল অনিশ্চয়তা ও হয়রানির আরেক নাম। সে তুলনায় এই নীতিমালার অনলাইন আবেদন (ধারা ৪ দশমিক শূন্য), স্বচ্ছ সময়সূচি (ধারা ৬ দশমিক শূন্য), মেধাক্রম নির্ধারণের সুস্পষ্ট নিয়ম (ধারা ৩ দশমিক ৪) এবং বিভাগ নির্বাচনের গোছানো কাঠামো (ধারা ২ দশমিক ৩) নিঃসন্দেহে অগ্রগতি হয়েছে। তবে ধারা ধরে এগোতে গিয়ে কয়েক জায়গায় থমকে গেছি; মনে হয়েছে এই ভালো কাঠামোর ভেতরেই কিছু বিক্ষিপ্ত বিধান রয়ে গেছে, যা একটি অভিন্ন যুক্তির সুতোয় গাঁথা গেলে নীতিমালাটি আরও সহজ, স্বচ্ছ ও ন্যায়সংগত হয়ে উঠতে পারে। সমালোচনা নয়, একজন অংশীজনের ইতিবাচক প্রস্তাব হিসেবেই ভাবনাগুলো লিখছি।
মতামত জরিপে ভোট দেওয়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে
ধারা ৩ দশমিক ২ অনুযায়ী ৯৩ শতাংশ আসন সর্বজনীন মেধার ভিত্তিতে থাকলেও বাকি ৭ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ দপ্তরে কর্মরতদের সন্তানদের জন্য ১+১ শতাংশ, আর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পুত্র-কন্যা, নাতি নাতনিদের জন্য ৫ শতাংশ এভাবে বণ্টিত। গত বছর সুবিধা প্রাপ্তদের ধারায় ২৪ এর জুলাইযোদ্ধাদের জন্য অংশ ছিল। লক্ষণীয়, ধারা ৩ দশমিক ৩ স্পষ্ট করে বলছে, এই কোটাপদ্ধতি কেবল ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্যই প্রযোজ্য। নীতিনির্ধারকরা নিজেরাই একে সাময়িক রেখেছেন, আর এই বাস্তবতাই ভবিষ্যতের জন্য ভাবার সুযোগ করে দেয়।
১
১ মন্তব্য