সহকারী শিক্ষক
২৮ আগস্ট, ২০২৬ ১১:১৮ অপরাহ্ণ
৪২ হাজার মাদ্রাসা শূন্যপদের তালিকা দেখুন এখানে
দেশের বিভিন্ন স্তরের মাদ্রাসায় ২০২৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের বিস্তারিত তথ্য, পদসংখ্যা এবং আবেদনের প্রক্রিয়া নিচে তুলে ধরা হলো। সরাসরি আপনার কাঙ্ক্ষিত জেলার সম্পূর্ণ তালিকা ও বদলি সংক্রান্ত তথ্য পেতে নিচের লিংকে এখনই ক্লিক করে পিডিএফটি সংগ্রহ করুন:
👉 শূন্য পদের তালিকা পিডিএফ ডাউনলোড করুন এবং বিস্তারিত দেখুন
এনটিআরসিএ গণবিজ্ঞপ্তি শূন্য পদ ও মেমিস (MEMIS) আপডেট
মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে মেমিস (MEMIS) বা Madrasah Education Management Information System গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের সকল এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা শূন্য পদ এবং বেসরকারি মাদ্রাসা শূন্য পদ মেমিস সফটওয়্যারের মাধ্যমে সরাসরি এনটিআরসিএ-এর কাছে পাঠানো হয়।
মাদ্রাসা ই-রিকুইজিশন প্রক্রিয়া:
প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের মাদ্রাসার শূন্য পদের তথ্য অনলাইনে সাবমিট করেন।
উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসার তা যাচাই-বাছাই করে মেমিস (MEMIS) শূন্য পদের তালিকা আপডেট করেন।
এই তথ্যের ভিত্তিতেই এনটিআরসিএ গণবিজ্ঞপ্তি শূন্য পদ প্রকাশ করা হয়।
বিভিন্ন স্তরের মাদ্রাসা শূন্য পদ
শিক্ষক নিবন্ধন শূন্য পদ পূরণের লক্ষ্যে ২০২৬ সালের জন্য বিভিন্ন স্তরের মাদ্রাসায় আলাদাভাবে পদসংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
দাখিল ও আলিম মাদ্রাসা শূন্য পদ
দাখিল স্তরে সাধারণ বিষয় (বাংলা, ইংরেজি, গণিত) এবং ধর্মীয় বিষয় (কুরআন, হাদিস) উভয়ের জন্যই শিক্ষক প্রয়োজন। আলিম মাদ্রাসা শূন্য পদ এর ক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক প্রভাষক নিয়োগ দেওয়া হয়। বিশেষ করে বিজ্ঞান ও আইসিটি বিষয়ের শিক্ষকদের চাহিদা বর্তমানে সবচেয়ে বেশি।
ফাজিল ও এবতেদায়ী মাদ্রাসা শূন্য পদ
ফাজিল স্তরে ডিগ্রি পর্যায়ের পাঠদান হওয়ায় এখানে সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক পদে নিয়োগের জন্য শূন্য পদের তালিকা ২০২৬ প্রস্তুত করা হয়েছে। অন্যদিকে, প্রাথমিক স্তর বা এবতেদায়ী মাদ্রাসা শূন্য পদ পূরণে ইবতেদায়ী প্রধান এবং ইবতেদায়ী ক্বারী পদে বিশাল সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাবনা রয়েছে।
পদভিত্তিক যোগ্যতা ও স্তর:
মাদ্রাসার স্তর | পদের নাম | প্রয়োজনীয় যোগ্যতা | নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ |
এবতেদায়ী | ইবতেদায়ী শিক্ষক/ক্বারী | ফাজিল/কামিল বা সমমান | এনটিআরসিএ/ম্যানেজিং কমিটি |
দাখিল | সহকারী শিক্ষক | স্নাতক/সমমান + এনটিআরসিএ নিবন্ধন | এনটিআরসিএ |
আলিম | প্রভাষক | স্নাতকোত্তর + এনটিআরসিএ নিবন্ধন | এনটিআরসিএ |
ফাজিল | প্রভাষক/সহকারী অধ্যাপক | স্নাতকোত্তর (নির্দিষ্ট শর্তসহ) | এনটিআরসিএ/অধিদপ্তর |
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও কারিগরি বিভাগ
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর শূন্য পদ পূরণের জন্য নিয়মিতভাবে মনিটরিং করে থাকে। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ শূন্য পদ এর সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়ার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে তাদের নিজস্ব ড্যাশবোর্ড আপডেট রাখার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মাদ্রাসা শূন্য পদের তালিকা আগের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভুল ও রিয়েল-টাইম ডাটা নির্ভর হচ্ছে।
নিয়োগ প্রত্যাশীদের জন্য করণীয়:
নিয়মিত এনটিআরসিএ শূন্য পদের তালিকা চেক করা।
টেলিটক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির প্রতিটি শর্ত ভালোভাবে পড়ে নেওয়া।
পছন্দের প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের সময় মেধা তালিকা ও নিজ জেলার শূন্য পদের অনুপাত বিবেচনা করা।
আবেদনের পূর্বে শূন্য পদের তালিকা পিডিএফ থেকে সঠিক পদের ইনডেক্স ও বিষয় কোড মিলিয়ে নেওয়া।
সঠিক তথ্য ও পূর্বপ্রস্তুতি থাকলে মাদ্রাসা শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সফলতা অর্জন করা সহজ। মেমিস ড্যাশবোর্ড এবং এনটিআরসিএ-এর সমন্বিত উদ্যোগের ফলে বর্তমানে বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে মেধার ভিত্তিতে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে। শিক্ষাকতা পেশায় যুক্ত হতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের উচিত নিয়মিত অফিশিয়াল পোর্টালগুলোর আপডেট নজরে রাখা এবং নিজেদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা।
৭
৬ মন্তব্য