সহকারী শিক্ষক
২৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৭:৩৬ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
এনটিআরসি এর মাধ্যমেই শিক্ষক নিয়োগ চালু রাখাসহ দশ দাবি জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল প্রভাষক মো. আব্দুস সবুর।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, এমপিও, ননএমপিও, ইবতেদায়ীসহ সব শিক্ষকদের প্রত্যাশা পূরণে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে জাতীয় শিক্ষক ফোরাম-এর পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি এসব প্রস্তাবনা পেশ করা হলো।
প্রস্তাবনাগুলো : শিক্ষায় বিরাজমান সব বৈষম্য দূরীকরণে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের উপর চাপ কমাতে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আয় রাষ্ট্রীয় কোষাগারে নেওয়া যেতে পারে।এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদান করতে হবে।
নবম পে-স্কেলে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রদান করতে হবে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সঞ্চিত সমুদয় অর্থ বিধি মোতাবেক একসঙ্গে প্রদান করতে হবে। হয়রানি রোধে কিস্তিতে পরিশোধের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।
মেধাবীদের শিক্ষকতার পেশায় আকৃষ্ট করতে এনটিআরসির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা দেওয়ার পাঁয়তারা বন্ধ করতে হবে এবং তাদের অযথা হস্তক্ষেপ বন্ধ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

স্কুল, কলেজ ও আলিয়া মাদ্রাসা শিক্ষায় বিরাজমান বৈষম্য দূর করে সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। বদলি কার্যক্রম সহজতর করতে হবে এবং স্থগিত হওয়া প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারি প্রধানদের নিয়োগ ভাইভা গ্রহণের মাধ্যমে অতিদ্রুত নিয়োগ প্রদান করতে হবে। বাংলাদেশে পরিবার ও ঈমান বিনষ্টকারী ট্রান্সজেন্ডারবাদ ও সমকামিতাকে সুকৌশলে বৈধ করার চক্রান্ত চলছে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষায় ট্রান্সজেন্ডারবান্ধব সংশোধিত শ্রম আইন ২০২৬ বাতিলের পাশাপাশি সরকারের সব স্তরে 'দ্বিলিঙ্গ নীতি' অনুসরণ করতে হবে।
৭
৬ মন্তব্য