Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩১ মে, ২০২৬ ০৮:৩২ অপরাহ্ণ

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস শুরুর আগে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা

শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (DSHE) কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দীর্ঘ ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদান শুরুর আগে এবং ক্লাস চলাকালীন সময়ে যেসকল নির্দেশনা বাধ্যতামূলকভাবে পালন করতে হবে, তার বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণক্যাম্পাস ও শ্রেণিকক্ষ পরিচ্ছন্নতা: ক্লাস শুরুর পূর্বেই পুরো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ, ভবনের ছাদ, বারান্দা, সিঁড়ি এবং প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ সম্পূর্ণ ধুলোবালি ও ময়লাযুক্ত পরিবেশ থেকে মুক্ত করতে হবে।আসবাবপত্র জীবাণুমুক্তকরণ: শিক্ষার্থীদের বসার বেঞ্চ, শিক্ষকের টেবিল, চেয়ার, ব্ল্যাকবোর্ড বা হোয়াইটবোর্ড ক্লাসের আগেই ভালোভাবে মুছে পরিষ্কার করতে হবে।ওয়াশ ব্লক ও টয়লেট ব্যবস্থার উন্নয়ন: ছাত্র ও ছাত্রীদের পৃথক ওয়াশ ব্লকগুলো নিয়মিত পরিষ্কার এবং পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ লিকুইডের ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পানি নিষ্কাশন: কোনো নালা, মাঠের কোণ বা ফুলের টব ও বাগানে যেন পানি জমে না থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে। এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধে নিয়মিত মশক নিধন স্প্রে এবং ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করতে হবে।
২. বছরব্যাপী ধারাবাহিক তদারকি ও সচেতনতানিয়মিত মনিটরিং: প্রতিদিন ক্লাস শুরুর আগে এবং পরে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য একটি নির্দিষ্ট তদারকি টিম গঠন করতে হবে।
যৌথ অভিযান: প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাসে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাতে হবে।
সচেতনতা তৈরি: শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা (যেমন- পরিচ্ছন্ন স্কুল ব্যাগ, টিফিন বক্স ও পানির পাত্র ব্যবহার) এবং নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ময়লা ফেলার বিষয়ে প্রতিনিয়ত উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
৩. প্রাতিষ্ঠানিক ও শিক্ষাক্রম সংক্রান্ত নিয়মাবলীজ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় নির্দেশিকা: বৈশ্বিক সংকটের কারণে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনে ব্লেন্ডেড লার্নিং (অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বয়) এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী নীতি অবলম্বন করতে হবে।
মূল্যায়ন পদ্ধতি ও কোচিং: নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রমের নির্দেশিকা কঠোরভাবে বজায় রাখতে হবে। কোনোভাবেই গতানুগতিক প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া বা বিশেষ ক্লাসের নামে কোনো প্রকার জোরপূর্বক কোচিং বাণিজ্য চালানো যাবে না।
ঘাটতি পূরণ: ছুটির কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা পূরণের জন্য শিক্ষকদের বিশেষ পরিকল্পনা বা অতিরিক্ত ক্লাসের মাধ্যমে শিখন ঘাটতি পূরণ করতে হবে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ