সহকারী শিক্ষক
২৬ মে, ২০২৬ ০১:৪১ অপরাহ্ণ
শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচন প্রসঙ্গে কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই।এ বছর অর্থাৎ ২০২৬,এ আমি ঝিনাইদহ জেলা থেকে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হই।
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিবছর বেশ কিছু ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ নির্বাচন করে থাকে। তার মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শ্রেষ্ঠ প্রধান, সহকারী ও বিদ্যালয় নির্বাচন করে থাকে। প্রতিটি পর্বে এমনি এমনি বা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কেউ শ্রেষ্ঠ হয়না।তার জন্য অনেক পরিশ্রম করতে হয়।শিক্ষার্থীর ভালোবাসা সবাই অর্জন করতে পারেনা। আমি আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি ২০ বছর চাকরি জীবনে শিক্ষার্থীর ভালোবাসা পেয়েছি প্রচুর।সহকর্মী, প্রধান শিক্ষকের অনুপ্রেরণা, ভালোবাসায় আজ আমি শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হতে পেরেছি। হুট করে গেলাম আর নিয়ে নিল সেটা না।অনেক চড়ায় উতড়ায় পেরিয়ে আজ এখানে এসেছি।
যারা পারেনা তারাই বলে প্রতিযোগিতা সঠিকভাবে হয়না।এটা ভুল ধারণা। প্রকৃত মেধাকে দমিয়ে রাখা যায়না। প্রতিটি মান্ দণ্ডের আলাদা ডকুমেন্টস তৈরি করতে হয়,ছবি বা ভিডিও। পাঠদানের ভিডিও, ইনোভেশন আইডিয়া,কোনো অর্জন (শিক্ষক,শিক্ষার্থী)। সহপাঠক্রমিক, শিক্ষার্থীদের ফলাফল, ব্যক্তিউদ্যাগে কোনো মানবিক কাজ,,, ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি ও প্রদর্শন। উপকরণ তৈরি এবং ব্যবহার করে পাঠদান পরিচালনা । বিদ্যালয়ের প্রতি নিবেদিত প্রাণ হয়ে কাজ করেছি।করোনা কালীন অস্বাভাবিক পরিশ্রম করেছি।এই সব কিছু মাঠ পর্যায়ে বাছায় করে অর্থাৎ এটিও স্যারেরা বাছাই করে ক্লাস্টার থেকে একজন করে উপজেলা পাঠায়,তারপর ওখান থেকে ভালো করলে জেলা পর্যায়ে যায় এভাবে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত। তাই ভুল তথ্যে আমার যেন অনুপ্রাণিত না হয়।
৫
৫ মন্তব্য