Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৬ মে, ২০২৬ ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ণ

কিশোর-কিশোরীর নিরাপত্তা আমাদের শিশুরা আগামীদিনের ভবিষ্যৎ। বর্তমান সময় কিংবা পূর্ববর্তী সময়েও আমরা দেখছি আমাদের শিশুরা নিরাপদ নয়।

/ কিশোর-কিশোরীর নিরাপত্তা

আমাদের শিশুরা আগামীদিনের ভবিষ্যৎ। বর্তমান সময় কিংবা পূর্ববর্তী সময়েও আমরা দেখছি আমাদের শিশুরা নিরাপদ নয়। অনেক সময় আত্মীয়, প্রতিবেশী, শিক্ষক অথবা পরিবারের সদস্য দ্বারা যৌন হয়রানি, ইভটিজিং এর শিকার হচ্ছে। একজন শিশু জানেইনা এই সমস্ত নোংরা কাজগুলি কী। কিন্তু আমাদের সমাজের বিশ্রী কদাকার লোকগুলি সে নীরিহ শিশুগুলিকে ছাড়ে না। এখন কথা হচ্ছে এ ধরণের ক্রাইমগুলি কোথায় হচ্ছে বেশিরভাগ হচ্ছে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলিতে যারা লোকলজ্জার ভয়ে মুখ খোলে না। নিম্নবিত্ত পরিবারে এবং উচ্চ বিত্ত পরিবারে কেউ দারিদ্রতার কারণে মেনে নেয় আবার কেউবা টাকার অংকে ঘটনা চাপিয়ে দেয়। অপরাধ অপরাধই, তা ছোট হোক কিংবা বড় হোক। রামিসাদের মতো হাজার শিশু-কিশোর, যুবতী-বৃদ্ধা প্রতিদিন, প্রতিনিয়ত নরঘাতকদের কাছে বলি হচ্ছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে অপরাধী আমার কিংবা আপনার নিকটতম কেউ হোক তাদেরকে সুবিচারের আওতায় আনতেই হবে। অপরাধ সঠিকভাবে সনাক্ত হওয়ার পর দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে এমন জঘন্য কাজ কেউ না করতে পারে। এজন্য সামাজিক সচেতনতা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। ধর্ষণ একটি মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য আঘাত। ধর্ষণকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যেন আর কোনো বোন, মা বা শিশু এই নৃশংসতার শিকার না হয়। সামাজিক সচেতনতার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় আইন পাকাপোক্ত করতে হবে। যাঁরা বিচারবিভাগে ও আইনবিভাগের মতো পবিত্র জায়গায় আছেন রামিসার মতো আপনাদেরও সন্তান থাকতে পারে। এধরণের বিচারের দীর্ঘসূত্রীতা আরও অপরাধের জন্ম নেয়। সুতরাং সাবধান ও সতর্ক  থাকি আমাদের সন্তান কোথায় যাচ্ছে কেন যাচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে যাতে কতগুলো জীবন অকালে ঝরে না যায়।

মন্তব্য করুন

ব্লগ