Loading..

ব্লগ

রিসেট

২১ মে, ২০২৬ ০১:২৮ পূর্বাহ্ণ

প্রাথমিক শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের যোগদানের আগেই প্রশিক্ষণ

প্রাথমিক শিক্ষক পদে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের যোগদানের আগেই প্রশিক্ষণ

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।

#প্রাথমিক বিদ্যালয় #শিক্ষক #নেপসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ ১৪ হাজরের বেশি প্রার্থীকে যোগদানের আগেই প্রশিক্ষণ নিতে হবে। তবে এই প্রশিক্ষণের ভিত্তিতে যোগদান হবে কিনা তা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।

বুধবার জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছে।সূত্র জানায়, সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষকদের মূল্যায়ন দুই ধাপে হবে। দুই ধাপের মূল্যায়ন শেষে প্রার্থীদের সামগ্রিক বিষয় মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। এরপর মন্ত্রণালয় তাদের যোগদানের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

নেপ মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বলেন, প্রার্থীদের একটা প্রশিক্ষণ হবে। এ প্রশিক্ষণ নিয়ে তারা স্কুলে যাবে। এই প্রশিক্ষণের মডিউল তৈরি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এগুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। কাজ শেষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দেখবে ও সিদ্ধান্ত নেবে। সব সময়ই প্রাইমারিতে ছিলো প্রশিক্ষণ। আগে যোগদান করার পর ১০ মাসের টের্নিং ছিলো। এখন যেটা আলোচনা হচ্ছে সেটা হলো টের্নিং নিয়ে ক্লাসে যাওয়া ভালো। এবার আগে প্রশিক্ষণ হবে ও পরেও হবে। সব প্রশিক্ষণেই মূল্যায়ন থাকে। কর্মপরিকল্পনা মন্তণালয়ে জমা দেবো। তারপর মন্ত্রণালয় তারিখ নির্ধারণ করবে।

তিনি আরো বলেন, পিটিআইয়ের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ হবে। তবে এই প্রশিক্ষণের ফলের ভিত্তিতে যোগদান হবে কিনা সেটা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।

গত ৯ জানুয়ারি দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা (এমসিকিউ টাইপ) অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। তাতে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সব প্রক্রিয়া শেষ করলেও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা এখনও যোগদান করতে পারেন নি। এমন পরিস্থিতিতে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছেন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক।

প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

#প্রাথমিক বিদ্যালয় #শিক্ষক #নেপ

মন্তব্য করুন

ব্লগ