সহকারী শিক্ষক
১৭ মে, ২০২৬ ০১:০৪ অপরাহ্ণ
সহকারী শিক্ষক
২০২৬ সালের এসএসসি মানবিক বিভাগের বিজ্ঞান পরীক্ষা সারাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে রবিবার, ১৭ মে। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই পরীক্ষা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী পরিচালিত হয়। পরীক্ষার্থীরা প্রথমে এমসিকিউ অংশে অংশগ্রহণ করে, এরপর সৃজনশীল লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয় নিজ নিজ কেন্দ্রে।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকেই অনেক শিক্ষার্থী অনলাইনে “SSC Science MCQ Solution 2026” খুঁজছেন নিজেদের উত্তর মিলিয়ে সম্ভাব্য নম্বর হিসাব করার জন্য। শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এমসিকিউ পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত চলে এবং লিখিত অংশ শেষ হয় দুপুর ১টায়। দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে।
সকল বোর্ডের সমাধান দেখতে পাবেন এখানে >>> SSC Science MCQ Solution
এ বছর সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, সারাদেশে ১৮ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী নিবন্ধন করেছে।
এসএসসি বিজ্ঞান বিষয়ে মোট নম্বর ছিল ১০০। এর মধ্যে ৩০ নম্বর ছিল এমসিকিউ অংশে এবং ৭০ নম্বর ছিল লিখিত পরীক্ষার জন্য। পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত ৩০ মিনিটের মধ্যে এমসিকিউ উত্তর সম্পন্ন করতে হয়েছে, এরপর শুরু হয় সৃজনশীল লিখিত অংশ।
চলতি বছরে সারাদেশে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নিবন্ধন করেছে। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রয়েছে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। অংশগ্রহণকারীর সংখ্যায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড শীর্ষে থাকলেও সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী রয়েছে সিলেট শিক্ষা বোর্ডে।
বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের মতে, এ বছরের এমসিকিউ প্রশ্ন তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। যদিও কিছু পরীক্ষার্থী সৃজনশীল অংশকে কিছুটা কঠিন মনে করেছে, তবুও অধিকাংশ শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এমসিকিউ অংশ শেষ করতে সক্ষম হয়েছে।
শিক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহও নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা কার্যক্রম চলবে।
তথ্য | বিস্তারিত |
পরীক্ষার নাম | এসএসসি বিজ্ঞান পরীক্ষা ২০২৬ |
পরীক্ষার তারিখ | ১৭ মে ২০২৬ |
পরীক্ষার সময় | সকাল ১০টা – দুপুর ১টা |
এমসিকিউ সময় | সকাল ১০টা – ১০:৩০ মিনিট |
লিখিত পরীক্ষার সময় | ১০:৩০ মিনিট – ১টা |
মোট নম্বর | ১০০ |
এমসিকিউ নম্বর | ৩০ |
লিখিত নম্বর | ৭০ |
সৃজনশীল প্রশ্ন | ৫টি |
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন | ১০টি |
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা এখন আগ্রহ নিয়ে এমসিকিউ সমাধান খুঁজছে। বিভিন্ন শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট এবং শিক্ষকরা বোর্ডভিত্তিক প্রশ্ন সংগ্রহ করে সমাধান প্রস্তুত করছেন।
পরীক্ষার নির্দেশনা অনুযায়ী, মানবিক বিভাগের বিজ্ঞান বিষয়ে এমসিকিউ অংশে ছিল ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী প্রশ্ন। যারা প্রথম ৩০ মিনিটে সতর্কতার সঙ্গে উত্তর দিয়েছে, তারা এখন ফল প্রকাশের আগেই সম্ভাব্য নম্বর নির্ধারণের চেষ্টা করছে।
শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তারা আরও জানান, পরীক্ষায় উপস্থিতির হার সন্তোষজনক ছিল। তবে চলতি মাসের শুরুতে অনুষ্ঠিত বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।
সময়ের চাপ ও মানসিক বিভ্রান্তির কারণে অনেক শিক্ষার্থী এমসিকিউ পরীক্ষায় ভুল করে থাকে। শিক্ষকরা পরীক্ষার্থীদের শান্ত থাকার পাশাপাশি প্রতিটি প্রশ্ন মনোযোগ দিয়ে পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সঠিক সময় ব্যবস্থাপনাও ভালো ফলাফলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিটি প্রশ্ন ধীরে ও মনোযোগ দিয়ে পড়ে উত্তর নির্বাচন করতে হবে।
সহজ প্রশ্নগুলো আগে সমাধান করলে কঠিন প্রশ্নের জন্য বেশি সময় পাওয়া যায়।
নিশ্চিত না হয়ে বারবার উত্তর পরিবর্তন করা উচিত নয়।
প্রশ্নের গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
শেষ কয়েক মিনিটে অনুত্তরিত প্রশ্ন ও চিহ্নিত উত্তরগুলো পুনরায় দেখে নেওয়া ভালো।
সঠিক মনোযোগ ও সময় ব্যবস্থাপনা বজায় রাখতে পারলে এমসিকিউ পরীক্ষায় ভালো ফল অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।
ঢাকা, কুমিল্লা, সিলেটসহ বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা বোর্ডভিত্তিক উত্তর খুঁজছেন। কারণ এসএসসি পরীক্ষায় বিভিন্ন বোর্ডে প্রশ্নের ধরনে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে।
এ বছর ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি—৩ লাখ ৬৬ হাজারেরও বেশি। অন্যদিকে সবচেয়ে কম পরীক্ষার্থী রয়েছে সিলেট বোর্ডে। শিক্ষা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সারাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৫১০টি কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪০০-এর বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। রবিবার সকালে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী বিজ্ঞান পরীক্ষায় অংশ নেয়।
পরীক্ষা শেষে শিক্ষার্থীরা এখন অনলাইন আলোচনা ও শিক্ষকদের দেওয়া সমাধানের মাধ্যমে নিজেদের উত্তর মিলিয়ে দেখছে। অনেক পরীক্ষার্থী জানিয়েছে, এমসিকিউ অংশ তুলনামূলক সহজ ছিল, যদিও কিছু প্রশ্নে দ্রুত চিন্তাভাবনার প্রয়োজন হয়েছে।
শিক্ষা কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার সব নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে এবং অবশ্যই প্রবেশপত্র ও নিবন্ধন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
এছাড়া যাচাই ছাড়া অনলাইনে প্রচারিত অননুমোদিত উত্তরপত্রের ওপর নির্ভর না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুরো সময়জুড়ে সরকারি রুটিন ও নির্দেশনাই কার্যকর থাকবে।
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ তারিখে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে।
এমসিকিউ অংশে মোট ৩০ নম্বর ছিল।
সকাল ১০টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এমসিকিউ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে।
বিভিন্ন শিক্ষা বিষয়ক নিউজ পোর্টাল ও শিক্ষকদের অনলাইন আলোচনায় বোর্ডভিত্তিক সমাধান দেখা যাচ্ছে।
০
০ মন্তব্য