Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৪ মে, ২০২৬ ০৮:০২ অপরাহ্ণ

মূল্যায়ন নির্দেশিকা- ২০২৬

প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৬ (প্রথম-পঞ্চম শ্রেণি) অনুযায়ী ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের সমন্বয়ে নতুন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে, যেখানে ধারাবাহিক মূল্যায়নের গুরুত্ব বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৫০% ধারাবাহিক ও ৫০% সামষ্টিক মূল্যায়ন, এবং তৃতীয়-পঞ্চম শ্রেণিতে ৩০% ধারাবাহিক ও ৭০% সামষ্টিক মূল্যায়ন কার্যকর হবে।

মূল্যায়ন নির্দেশিকা ২০২৬-এর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
  • কাঠামো: শিখনকালীন পাঠ্যপুস্তকের কাজ, ভাষাদক্ষতা, সক্রিয়তা ও ক্লাস টেস্টের মাধ্যমে ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং নির্দিষ্ট প্রান্তিকে সামষ্টিক মূল্যায়ন হবে।
  • পরীক্ষা ও নম্বর: অধিকাংশ বিষয়ে লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
  • পাস নম্বর:
     পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য ৪০% নম্বর অর্জন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বিশেষ নির্দেশনা: যে বিষয়গুলোতে শুধুমাত্র শিক্ষক সহায়িকা আছে (পাঠ্যপুস্তক নেই), সেগুলোতে ১০০% ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে।বাস্তবায়ন: শিক্ষাবর্ষের শুরুতেই প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে বছরব্যাপী পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে

মন্তব্য করুন

ব্লগ