Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ মে, ২০২৬ ০৯:৪৫ অপরাহ্ণ

মূল্যায়ন নির্দেশিকা- ২০২৬

                                                                                                                     মূল্যায়ন

১. মূল্যায়ন কাঠামো প্রাথমিক স্তরে (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি) প্রতি শিক্ষাবর্ষে তিনটি প্রান্তিকে শিক্ষার্থীদের শিখন অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে হবে। প্রতি প্রান্তিকে ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের মাধ্যমে এ অগ্রগতি নিরূপণ করা হবে। পাঠ্যপুস্তক এবং শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয় এমন বিষয়সমূহের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক মূল্যায়নের পাশাপাশি সামষ্টিক মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে শুধুমাত্র শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান করা হয় এমন বিষয়সমূহের ক্ষেত্রে শতভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে মূল্যায়ন সম্পন্ন করা হবে। নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম চলাকালীন ধারাবাহিক মূল্যায়ন এবং প্রতি প্রান্তিকে একবার সামষ্টিক মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। সামষ্টিকমূল্যায়ন বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হবে। প্রতি প্রান্তিকে ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমের ধরন নিচে দেখানো হলো: ক. ধারাবাহিক মূল্যায়ন প্রান্তিক মূল্যায়ন ক.১ পাঠ্যপুস্তকের কাজ সম্পন্ন করা ক.২ শ্রেণিকাজে সক্রিয়তা >ক.৩ ভাষাদক্ষতা/বিষয়বস্তুর বোধগম্যতা ক.৪ ক্লাস টেস্ট খ. সামষ্টিক মূল্যায়ন খ.১ লিখিত

মন্তব্য করুন

ব্লগ