Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ মে, ২০২৬ ০৯:১৫ অপরাহ্ণ

নতুন শিক্ষাক্রমের মূল্যায়ন পদ্ধতি

নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • শিখনকালীন মূল্যায়ন (Formative Assessment): পাঠ চলাকালীন শিক্ষক নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবেন শিক্ষার্থী কতটা শিখছে। এখানে কেবল কাগজ-কলমের পরীক্ষা নয়, বরং শিক্ষার্থীর সক্রিয় অংশগ্রহণ, দলগত কাজ এবং সৃজনশীলতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

  • সামষ্টিক মূল্যায়ন (Summative Assessment): নির্দিষ্ট সময় পর পর শিক্ষার্থীর অর্জিত যোগ্যতার চূড়ান্ত যাচাই। এটি মুখস্থ বিদ্যার ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং শিক্ষার্থীর দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে।

  • পারদর্শিতার সূচক (PI): শিক্ষার্থীর প্রতিটি কাজের মান যাচাইয়ের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট সূচক। এর মাধ্যমে বোঝা যায় শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট যোগ্যতায় কোন স্তরে অবস্থান করছে।

  • আচরণিক সূচক (BI): শুধু পড়াশোনা নয়, শিক্ষার্থীর আচরণ, সহমর্মিতা এবং শৃঙ্খলাও এখন মূল্যায়নের অংশ।

কেন এই পরিবর্তন?

সনাতন পদ্ধতিতে আমরা মেধাকে কেবল নম্বর দিয়ে বিচার করতাম। কিন্তু নতুন এই যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতিতে একজন শিক্ষার্থীর বহুমুখী প্রতিভাকে বিকাশের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা চাপমুক্ত পরিবেশে শিখতে পারছে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ছে।

শিক্ষক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো এই মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে সঠিকভাবে অনুধাবন করা এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তাধারার বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করা। আসুন, আমরা মূল্যায়নকে ভীতি হিসেবে নয়, বরং শিখনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করি।

মন্তব্য করুন

ব্লগ