শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধ হোক: স্বচ্ছতা আসুক NTRCA-এর মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে একসময় অনিয়ম ও চরম দুর্নীতিই ছিল অলিখিত নিয়ম। সেই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার জন্য ২০০৫ সালে NTRCA গঠন করা হয়। ২০১৮ সাল থেকে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে যোগ্য ব্যক্তিরা আজ বিনা ঘুসে শিক্ষক হতে পারছেন। ফলে শিক্ষার মান বাড়ছে, শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
কিন্তু একটি বিশেষ মহল এখনো অন্ধকার যুগের স্বপ্ন দেখছে। সম্প্রতি কিছু অশিক্ষক সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় ম্যানেজিং কমিটির হাতে ফিরিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। এটি মূলত **'আলোর পথ থেকে অন্ধকারে ফিরে যাওয়া'**র শামিল।
গভর্নিং বডি বা ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ মানেই মোটা অংকের ঘুস লেনদেনের অভিযোগ। NTRCA এই দুর্নীতির পথ বন্ধ করেছে। একটি প্রতিষ্ঠানের মেরুদণ্ড হলেন তার প্রধান। যোগ্য ও মেধাবী প্রধান শিক্ষক ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা অসম্ভব। ২০২৬ সাল থেকে প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়া NTRCA-এর হাতে আসায় সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।
গত ১৮ এপ্রিল ২০২৬-এর পরীক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করতে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। কিন্তু সত্যের জয় হয়েছে, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং প্রার্থীরা এখন মৌখিক (লিখিত/ভাইভা) পরীক্ষার অপেক্ষায় আছেন। এরপরও যারা এই নিয়োগ বন্ধের দাবি তুলছেন, তারা মূলত নিয়োগ বাণিজ্যের কালো থাবা পুনরায় শিক্ষা ব্যবস্থায় বিস্তার করতে চান।
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়,
কোনো অপশক্তির চাপে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া থামাবেন না। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দুর্নাম থেকে মুক্তি দিতে এবং একটি স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়তে NTRCA-এর মাধ্যমেই এই নিয়োগ সম্পন্ন করুন।
দাবি একটাই: স্বচ্ছ ও মেধাসম্পন্ন শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমেই ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড’ প্রবাদটি সার্থক হোক।
০
০ মন্তব্য