প্রধান শিক্ষক
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের ট্যাব দেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার্থীদের ট্যাব দেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শুক্রবার (৮ মে) বাংলা একাডেমিতে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যখন ৮০- এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কম্পিউটার সায়েন্সে লেখা-পড়া করতাম। তখন ভেবেছিলাম এই সেক্টরে গেলে আমার মনে হয় আগামী দিনে মানুষের কর্মসংস্থান কমে যাবে। কিন্তু বাস্তবে তা না। কম্পিউটার মানুষের কর্মসংস্থান বাড়িয়েছে। এখনো যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো জায়গায় বাসে-ট্রেনে গেলে দেখবেন তারা বই পড়ছেন। বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে।
তিনি বলেন, আসলে শিক্ষাব্যবস্থা এমন দিকে আস্তে-আস্তে ধাবিত হচ্ছে, আমার মনে হয় না নোট-গাইডই শিক্ষার প্রচলিত কোনো ব্যবস্থা হবে। এগুলো বোধহয় পৃথিবী থেকে উঠে যাচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নেতাদের উদ্দেশে বলেন, তাই বলে কি আপনাদের ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। আপনারা সেই বিজনেসে আছেন যেটা সমাজকে- জাতিকে শিক্ষিত করেছিলো বই-পুস্তকের মধ্য দিয়ে।
মন্ত্রী বলেন, আমি যখন ২০০১ থেকে ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিমন্ত্রী ছিলাম তখন গাইড ও নোট বই দুটিই পুরোপুরি বন্ধ করেছিলাম। চেয়েছিলাম সৃজনশীল লেখা-পড়া হোক। এখন কিন্তু ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দ না। একজন বললেন, যে আমরা ট্যাব ব্যবহার করছি, মর্ডানাইজ করছি সবকিছু। ট্যাব ব্যবহার করলে যে বই বন্ধ হয়ে যাবে তা কিন্তু না।
পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নেতাদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ব সাহিত্যকেন্দ্র আমাদের কিছু পড়ার বই দেয় এটা সত্য, আপনারা চাইলে আপনারও দিতে পারেন। তারা দিয়েছে এর মানে আপনারা দেবেন না তা কিন্তু না।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, আমি আপনাদের সমিতির ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যান্ড ভালো দেখলাম। আমি ভেবেছিলাম আপনাদের সমিতির পক্ষ থেকে কয়েকটি চ্যারিটেবল প্রতিষ্ঠানও তো থাকতে পারতো। আপনাদের একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় তো থাকতে পারে, একটি কলেজ, স্কুল থাকতে পারে। যেখানে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীরা পড়বেন। সেন্ট্রাল এক্সিলেন্স বলে এমন একটি ভালো প্রতিষ্ঠান করবেন যেখানে সারা বাংলাদেশের মেধাবীদের ভর্তি করা হবে। এটা প্যাট্রোনাইজ করবেন আপনারা, টাকা-পয়সা দেবেন অপনারা সেটা ট্রাস্ট থেকে, এমন হয়না?
০
০ মন্তব্য