Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৮ মে, ২০২৬ ১১:৫৭ অপরাহ্ণ

কোরবানির পশু যত বড় সওয়াব কি ততবেশি?

কোরবানির পশু যত বড় সওয়াব কি ততবেশি?

ধর্ম ডেস্ক

ঈদুল আজহা ঘনিয়ে এলেই দেশের পশুর হাটগুলোতে শুরু হয় এক নীরব প্রতিযোগিতা। কে কত বড় গরু কিনলেন, কার পশুর দাম কত বেশি- এ নিয়ে চলে নানা আলোচনা। জনমনে একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, কোরবানির পশু যত বড় বা দামি হবে, সওয়াবও তত বেশি হবে। কিন্তু কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে এই ধারণার সঠিক ব্যবচ্ছেদ করা জরুরি।

কোরআনের মূলনীতি: তাকওয়াই আসল

কোরবানির সওয়াব পশুর ওজন বা দামের ওপর সরাসরি নির্ভর করে না। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন যে, পশুর রক্ত বা মাংস তাঁর কাছে পৌঁছায় না। ইরশাদ হয়েছে- ‘আল্লাহর কাছে পৌঁছায় না সেগুলোর গোশত এবং রক্ত; বরং পৌঁছায় তোমাদের তাকওয়া (আল্লাহভীতি)।’ (সুরা হজ: ৩৭)
এই আয়াতটিই কোরবানির মূল দর্শন নির্ধারণ করে দেয়। অর্থাৎ, কোরবানির গ্রহণযোগ্যতা বা কবুলিয়ত নির্ভর করে বান্দার ইখলাস বা নিষ্ঠার ওপর। নিয়ত যদি বিশুদ্ধ না হয়, তবে পাহাড় সমান বড় পশু কোরবানি দিলেও তা আল্লাহর দরবারে গ্রহণীয় হওয়ার কোনো অবকাশ নেই।

পশমের হিসেবে সওয়াব: হাদিসের সঠিক ব্যাখ্যা

হাদিস শরিফে এসেছে, সাহাবায়ে কেরাম রাসুলুল্লাহ (স.)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! কোরবানিতে আমাদের জন্য কী সওয়াব রয়েছে?’ তিনি বললেন, ‘পশুর প্রতিটি পশমের বিনিময়ে একটি করে নেকি।’ (ইবনে মাজাহ: ৩১২৭; মেশকাত: ১৪৭৬)

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ