Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৮ মে, ২০২৬ ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

নিউট্রনের ইতিকথা _আবিষ্কারের প্রেক্ষাপট
# নিউট্রনের ইতিকথা:

## আবিষ্কারের প্রেক্ষাপট
- ১৮৯১: জে জে থমসন ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন।
- ১৯১১: আর্নেস্ট রাদারফোর্ড নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন।
- ১৯২০: প্রোটন আবিষ্কৃত হয়।
- সমস্যা: হিলিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ২ কিন্তু ভর সংখ্যা ৪। বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন নিউক্লিয়াসে অতিরিক্ত কিছু আছে।
- রাদারফোর্ডের প্রস্তাব (১৯২০): একটি ইলেকট্রন ও প্রোটন মিলে একটি নিরপেক্ষ কণা তৈরি করতে পারে।

## জেমস চ্যাডউইক ও নিউট্রন আবিষ্কার
- জেমস চ্যাডউইক রাদারফোর্ডের অধীনে পিএইচডি করেন।
- ১৯৩২: চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন।
- ফ্রেডরিক ও আইরিন কুরি বেরিলিয়ামের অজ্ঞাত বিকিরণ নিয়ে পরীক্ষা করছিলেন। তারা ভেবেছিলেন এটি গামা রশ্মি।
- চ্যাডউইকের যুক্তি: ভরহীন ফোটন (গামা রশ্মি) প্রোটনের মতো ভারী কণাকে বিচ্যুত করতে পারে না।
- পরীক্ষা: চ্যাডউইক প্রমাণ করেন বেরিলিয়ামের বিকিরণ নিরপেক্ষ কণা দিয়ে তৈরি যার ভর প্রোটনের চেয়ে সামান্য বেশি।
- ১৯৩২ সালের ফেব্রুয়ারি: নিউট্রনের অস্তিত্ব ঘোষণা।
- ১৯৩৫: চ্যাডউইক নোবেল পুরস্কার পান।

## নিউট্রনের বৈশিষ্ট্য
- চার্জ-নিরপেক্ষ (Neutral charge)।
- ভর প্রোটনের চেয়ে সামান্য বেশি।
- নিউট্রন মৌলিক কণা নয়, এটি কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি (আপ কোয়ার্ক ও ডাউন কোয়ার্ক)।
- মুক্ত নিউট্রন স্থায়ী নয়, এটি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে প্রোটন, ইলেকট্রন ও অ্যান্টি-নিউট্রিনোতে পরিণত হয় (অর্ধায়ু প্রায় ১৫ মিনিট)।

## গুরুত্ব
- পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনে অপরিহার্য।
- নিউক্লিয়াসকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।
- আইসোটোপ তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
মন্তব্য করুন

ব্লগ