Loading..

ব্লগ

রিসেট

০৪ মে, ২০২৬ ০৯:৩৯ অপরাহ্ণ

গুটি বসন্তে আক্রান্ত শিক্ষকের মৃত্যু, এলাকায় আতঙ্ক

গুটি বসন্তে আক্রান্ত শিক্ষকের মৃত্যু, এলাকায় আতঙ্ক

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত দুই সপ্তাহ আগে ইতিশ চন্দ্রের ছেলে ঢাকা থেকে এসে গুটি বসন্তে আক্রান্ত হন। এরপর গত মঙ্গলবার থেকে একে একে ইতিশ চন্দ্র দাস সহ তার স্ত্রী ও আরেক ছেলেও গুটি বসন্তে আক্রান্ত হন।

#শিক্ষক #গুটি বসন্ত #মৃত্যুগাইবান্ধা সদর উপজেলায় গুটি বসন্ত (পক্স) রোগে আক্রান্ত হয়ে ইতিশ চন্দ্র দাস (৪৫) নামে এক স্কুলশিক্ষক মারা গেছেন। সোমবার দিবাগত রাত ১ টার দিকে সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

ইতিশ চন্দ্র দাস সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের বোডঘর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং প্রাণবন্ধু চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি খোলাহাটী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কৃষি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত দুই সপ্তাহ আগে ইতিশ চন্দ্রের ছেলে ঢাকা থেকে এসে গুটি বসন্তে আক্রান্ত হন। এরপর গত মঙ্গলবার থেকে একে একে ইতিশ চন্দ্র দাস সহ তার স্ত্রী ও আরেক ছেলেও গুটি বসন্তে আক্রান্ত হন।

আক্রান্ত হওয়ার পর পাশের গ্রামের এক কবিরাজের কাছ থেকে শিক্ষক ইতিশ চন্দ্র চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তবে গত রাতে হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত ১টার দিকে তিনি মারা যান।

গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. রফিকুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তিনি হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি। নিহতের শরীরের ফোসকা দেখে জানা গেছে, তিনি গুটি বসন্তে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। নিহতের পরিবারের অন্য সদস্যদের শরীর থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, হাম সন্দেহে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে এ পর্যন্ত ১২৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছিলেন। এরমধ্যে ৬৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যাননি।

গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলার জন্য ২ লাখ ৮০ হাজার হামের টিকা পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ২ লাখ ৩২ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। আগামী ১০ মের মধ্যে বাকি টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন হবে।

#শিক্ষক #গুটি বসন্ত #মৃত্যু

মন্তব্য করুন

ব্লগ