Loading..

ব্লগ

রিসেট

০২ মে, ২০২৬ ০৮:০৬ অপরাহ্ণ

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬-এ ফুলতলায় শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত মো. সোহাগ হোসেন

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে খুলনার ফুলতলা উপজেলায় উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক (মাধ্যমিক) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো. সোহাগ হোসেন। শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর ধারাবাহিক সাফল্য, শিক্ষার্থীদের পাঠদানে আন্তরিকতা, সৃজনশীল উদ্যোগ এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

এর আগে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৩-এও তিনি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক (মাধ্যমিক) নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরপর দুইবার এ অর্জন শিক্ষক সমাজে তাঁর নিষ্ঠা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

গত ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ফুলতলা উপজেলার হাবিবুর রহমান মিলনায়তনে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে মো. সোহাগ হোসেনের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ এবং উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফুলতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সূচি রাণী সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার ফাতেমা বেগম। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক, শিক্ষাবিদ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একজন শিক্ষক কেবল পাঠদানই করেন না; তিনি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলি বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। শিক্ষকদের এমন স্বীকৃতি অন্য শিক্ষকদেরও অনুপ্রাণিত করবে এবং শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মো. সোহাগ হোসেন তাঁর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, এই সম্মাননা তাঁর জন্য অত্যন্ত গৌরবের। তিনি বলেন, “এই অর্জন আমার একার নয়। আমার সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং বিদ্যালয় পরিবারের সম্মিলিত সহযোগিতা ও উৎসাহের ফলেই আমি এ স্বীকৃতি পেয়েছি। এই সম্মাননা আমাকে ভবিষ্যতে আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

তিনি আরও জানান, শিক্ষার্থীদের পাঠকে আনন্দময়, ফলপ্রসূ ও বাস্তবমুখী করে তুলতে তিনি নিয়মিত নতুন নতুন শিক্ষণপদ্ধতি, সৃজনশীল পাঠদান ও শিক্ষাবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করে থাকেন। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নৈতিক বিকাশ এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও তিনি কাজ করে যেতে চান।

স্থানীয় শিক্ষাঙ্গনে মো. সোহাগ হোসেনের এ অর্জন ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীরা তাঁর এই সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে শিক্ষা ক্ষেত্রে তাঁর আরও উল্লেখযোগ্য অবদান প্রত্যাশা করেছেন।

মন্তব্য করুন

ব্লগ