Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১২ অপরাহ্ণ

যুগোপযোগী শিক্ষাক্রম

বাংলাদেশে প্রবর্তিত নতুন শিক্ষাক্রমের বিস্তারিত বর্ণনা নিচে আলোচনা করা হলো:

১. শিক্ষাক্রমের মূল কাঠামো ও লক্ষ্যনতুন শিক্ষাক্রমের প্রধান লক্ষ্য হলো মুখস্থনির্ভর শিক্ষা থেকে বের হয়ে আসা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং বাস্তব জীবনের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ২০২৭ সালের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ১৬টি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে আরও পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

২. বিষয়ভিত্তিক পরিবর্তন ও বিভাগ বিভাজনবিভাগহীন শিক্ষা: নবম ও দশম শ্রেণিতে আগেকার মতো বিজ্ঞান, মানবিক বা ব্যবসায় শিক্ষা নামে আলাদা কোনো বিভাগ থাকছে না। সকল শিক্ষার্থীকে ১০টি সাধারণ বিষয় পড়তে হবে।বইয়ের সংখ্যা: প্রাথমিকের ক্ষেত্রে ৮টি এবং মাধ্যমিকের জন্য ১০টি সাধারণ বই নির্ধারিত হয়েছে।খেলাধুলা ও স্বাস্থ্য: চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা এবং শারীরিক শিক্ষাকে অন্য সব মূল বিষয়ের মতো সমান গুরুত্ব দিয়ে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

৩. মূল্যায়ন পদ্ধতিনতুন শিক্ষাক্রমে প্রথাগত নম্বর ও জিপিএ পদ্ধতির পরিবর্তে যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে:শিখনকালীন মূল্যায়ন: বছরজুড়ে শ্রেণিকক্ষে অ্যাসাইনমেন্ট, প্রকল্পভিত্তিক কাজ, দলগত আলোচনা এবং খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মূল্যায়ন করা হয়।সামষ্টিক মূল্যায়ন: বছর শেষে একটি নির্দিষ্ট মূল্যায়নের ব্যবস্থা থাকে। বর্তমানে অনুমোদিত নিয়ম অনুযায়ী, ৬৫ শতাংশ লিখিত এবং ৩৫ শতাংশ কার্যক্রমভিত্তিক মূল্যায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।পারফরম্যান্স স্কেল: শিক্ষার্থীর পারদর্শিতা বুঝাতে ত্রিভুজ, বৃত্ত বা চতুর্ভুজের মতো সূচক ব্যবহার করা হয়।

৪. পাবলিক পরীক্ষার বিন্যাস (SSC ও HSC)SSC পরীক্ষা: শুধুমাত্র দশম শ্রেণির সিলেবাসের ওপর ভিত্তি করে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।HSC পরীক্ষা: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শেষে আলাদা দুটি পাবলিক পরীক্ষা হবে। এই দুই পরীক্ষার ফলাফলের সমন্বয়ে চূড়ান্ত HSC রেজাল্ট প্রদান করা হবে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ