Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৭:২৫ অপরাহ্ণ

এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষার সময়সূচি ও নির্দেশনা

অংশ ১: বাংলা ১ম পত্র (গদ্য) - "সুভা" (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)


শিরোনাম: এসএসসি ২০২৬: "সুভা" গল্প থেকে বারবার ফিরে আসা প্রশ্ন ও উত্তর (এক নজরে)


প্রিয় শিক্ষার্থী, রবীন্দ্রনাথের "সুভা" গল্পটি মানবিক মূল্যবোধ ও প্রতিবন্ধী চরিত্রের ট্র্যাজেডির অনন্য দলিল। পরীক্ষায় এখান থেকে সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট টপিকের প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে। নিচে উত্তরসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো দেওয়া হলো:


১. সুভা কার মেয়ে এবং তার আসল নাম কী?


উত্তর: সুভা বাণীকন্ঠের মেয়ে। তার আসল নাম সুভাষিণী। কিন্তু কেউ তার পুরো নাম ডাকার প্রয়োজন বোধ করত না বলে সবাই তাকে 'সুভা' বলে ডাকত।


২. সুভার বোবা হওয়ার কারণ কী এবং তা গল্পে কীভাবে প্রকাশ পেয়েছে?


উত্তর: সুভা জন্ম থেকেই বোবা, এটি তার জন্মগত ত্রুটি। গল্পে বলা হয়েছে, "তার সেই বিশাল নীরবতা পৃথিবীর বুকে প্রকৃতির ভাষার মতোই গভীর ও বিপুল ছিল।" বক্তব্য প্রকাশ করতে না পারলেও তার বড় বড় চোখের দৃষ্টি ছিল প্রাণভরা ভাষা।


৩. "সুভার জগৎ ও ভাষা" সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখো।


উত্তর: মানুষের জগতে সুভা ছিল একা এবং নীরব। কিন্তু প্রকৃতির জগৎ ছিল তার প্রকৃত সঙ্গী। সে গোরু, ছাগল, বিড়াল, গাছপালা ও নদীর সঙ্গে মনের ভাষায় কথা বলত। প্রকৃতির প্রতিটি অনিয়ম ও ছন্দ সে বুঝতে পারত। তার কাছে প্রকৃতির ভাষা ছিল মানুষের ভাষার চেয়েও স্পষ্ট।


৪. সুভার বিয়ে হয় কার সঙ্গে এবং ঘটনার পরিণতি কী হয়?


উত্তর: প্রতারণার মাধ্যমে সুভার বিয়ে হয় কলকাতার এক অন্ধ যুবক প্রতাপের সঙ্গে। বাণীকন্ঠ ভেবেছিলেন প্রতিবন্ধী মেয়ের জন্য প্রতিবন্ধী জামাইই উপযুক্ত। কিন্তু বিয়ের পর যখন যুবক জানতে পারে সুভা বোবা, তখন তার রাগ ও হতাশার শেষ থাকে না। গল্প শেষ হয় সুভার এক গভীর নিঃসঙ্গতা ও বেদনার মধ্য দিয়ে।


৫. "নদীর একঘেয়ে কলধ্বনি ও পুরোহিতের মন্ত্রপাঠ একসূত্রে গাঁথা" - উক্তিটি কেন বলা হয়েছে?


উত্তর: সুভার বিয়ের সময়ে এই উক্তিটি করা হয়েছে। সুভার কাছে পুরোহিতের কৃত্রিম মন্ত্রপাঠের কোনো অর্থ ছিল না। সে বরং নদীর স্রোতের পরিচিত শব্দকেই তার চিরচেনা ভাষা মনে করত। তার একাকিত্ব ও প্রকৃতির প্রতি গভীর টান বোঝাতেই এমন বলা হয়েছে।


---


অংশ ২: এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬ - পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও নির্দেশাবলি


শিরোনাম: এসএসসি ২০২৬ চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ: পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল, জেনে নিন বিস্তারিত নির্দেশনা ও রুটিন


২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার বিস্তারিত সময়সূচি ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড প্রকাশ করেছে। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে তা তথ্যবহুলভাবে নিচে উপস্থাপন করা হলো।


📅 পরীক্ষার সময়সূচি (প্রথম সপ্তাহের গুরুত্বপূর্ণ তারিখ)


তারিখ ও বার বিষয়

২১ এপ্রিল ২০২৬ বাংলা প্রথম পত্র

২৩ এপ্রিল ২০২৬ বাংলা দ্বিতীয় পত্র

২৬ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি প্রথম পত্র

২৮ এপ্রিল ২০২৬ ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র


পরীক্ষার সময়: প্রতিদিন সকাল ১০:০০টা থেকে শুরু হবে।


অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: গণিত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখার বিষয়ভিত্তিক পরীক্ষা যথাক্রমে নির্ধারিত তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষার সূচি পরবর্তীতে কেন্দ্রভিত্তিক ঘোষণা করা হবে।


---


📌 পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ১৪ দফা নির্দেশাবলী (জরুরি)


শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নিচের নির্দেশনাগুলো মানার জন্য কঠোরভাবে তাগিদ দিয়েছে:


১. কেন্দ্রে প্রবেশ: পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পূর্বে পরীক্ষার্থীকে কেন্দ্রে আসন গ্রহণ করতে হবে। বিলম্বে আসা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।


২. পরীক্ষার ধারা: প্রথমে বহুনির্বাচনী (MCQ) এবং বিরতিহীনভাবে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না।


৩. প্রবেশপত্র সংগ্রহ: পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে তিন দিন আগে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।


৪. বিষয় পরিবর্তন নিষেধ: শুধুমাত্র রেজিস্ট্রেশনপত্রে উল্লিখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যাবে। ভিন্ন বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ নেই।


৫. নম্বর প্রেরণ: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও ক্যারিয়ার শিক্ষার ধারাবাহিক মূল্যায়নের নম্বর প্রতিষ্ঠান সরাসরি কেন্দ্রে প্রেরণ করবে এবং কেন্দ্র তা অনলাইনে বোর্ডে আপলোড করবে।


৬. OMR ফরম পূরণ: উত্তরপত্রের OMR ফরমে রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বিষয় কোড সঠিকভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে। উত্তরপত্র ভাঁজ করা সম্পূর্ণ নিষেধ।


৭. পাসের শর্ত: তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনী ও ব্যবহারিক—প্রত্যেক অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে।


৮. ক্যালকুলেটর ব্যবহার: শুধুমাত্র শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর (Non-Programmable) ব্যবহার করা যাবে।


৯. মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ: কেন্দ্রসচিব ব্যতীত অন্য কোনো পরীক্ষার্থী বা ব্যক্তি কেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহার করতে পারবেন না। জব্দ হলে পরীক্ষা বাতিলের বিধান রয়েছে।


১০. পুনঃনিরীক্ষণ আবেদন: ফল প্রকাশের ৭ দিনের মধ্যে অনলাইনে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করতে হবে। দেরিতে আবেদন গ্রহণ করা হবে না।


১১. রুটিন পরিবর্তন: অনিবার্য কারণে (প্রাকৃতিক দুর্যোগ ইত্যাদি) রুটিন পরিবর্তন হলে তা দৈনিক পত্রিকা ও বোর্ডের ওয়েবসাইটে জানানো হবে।


১২. উপস্থিতি পত্র: তত্ত্বীয়, নৈর্বাচনিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষার জন্য একই উপস্থিতি পত্র ব্যবহার করতে হবে।


১৩. ব্যবহারিক পরীক্ষা: সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা নিজ নিজ কেন্দ্রে/ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে।


১৪. আসন ব্যবস্থা: প্রতিষ্ঠান প্রধান পরীক্ষার অন্তত ৭ দিন আগে প্রবেশপত্র বিতরণ নিশ্চিত করবেন, অন্যথায় কোনো জটিলতার দায় প্রতিষ্ঠান প্রধানকেই বহন করতে হবে।



🔔 গুরুত্বপূর্ণ লিংক ও রিসোর্স (প্রদত্ত তথ্যানুসারে)


আপনি আপনার পোস্টে যে ফাইল ও গ্রুপগুলোর কথা উল্লেখ করেছেন, সেগুলো এখানে উদ্ধৃত করা হলো। শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনে এগুলো অনুসরণ করতে পারেন:


· ফাইনাল এক্সক্লুসিভ সাজেশন (বাংলা ১ম পত্র): Google Drive Link

· রসায়ন (দশম শ্রেণি) - ১ম সংস্করণ ২০২৫: রকমারি লিংক ১

· এসএসসি ২০২৬ বুলেট সাজেশন: রকমারি লিংক ২

· ফেসবুক স্টাডি গ্রুপ: TGC Group


পরামর্শ: পরীক্ষার বাকি সময়টুকু নিয়মিত পড়াশোনা করুন এবং ভুল তথ্য এড়াতে শুধুমাত্র বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রুটিন অনুসরণ করুন। সবার জন্য শুভকামনা।

মন্তব্য করুন

ব্লগ