Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ০৯:৫৫ অপরাহ্ণ

তাহজ্জুদের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা


তাহজ্জুদের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা

১৬১০। মুহাম্মদ ইবনু আবরাহ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ নিদ্রা যায় শয়তান তার মাথায় তিনটা গিট লাগিয়ে দেয়। প্রত্যেক গিট লাগানোর সময় সে বলে, “এখনো অনেক রাত্র বাকী আছেঅর্থাৎ তুমি শুয়ে থাক। যদি সে জেগে উঠে আল্লাহর যিকর করে তাহলে একটি গিঁট খুলে যায়। তারপর যদি উযু করে তাহলে আরো একটি গিট খুলে যায়, যদি সালাত আদায় করে তাহলে সমুদয় গিট খুলে যায় এবং তার সকাল হয় আনন্দ উদ্দীপনায়। অন্যথায় তার সকাল হয় অবসাদ বিষাদময়।

তাহজ্জুদের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা

১৬১১। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আব্দূল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এমন এক ব্যক্তির উল্লেখ করা হল, যে সারা রাত্রি সকাল পর্যন্ত নিদ্রা গিয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে ব্যক্তির কর্ণদ্বয়ে শয়তান প্রশ্রাব করে দিয়েছে।

তাহজ্জুদের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা

১৬১২। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! অমুক ব্যক্তি গত রাত্রের সালাত আদায় না করেই সকাল অবধি নিদ্রা গিয়েছে। তিনি বললেন, সে ব্যক্তিত কর্ণদ্বয়ে শয়তান প্রশ্রাব করে দিয়েছে।

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / ঘরে নফল সালাত আদায় করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা এবং তার ফযীলত বর্ণনা

১৬০১। আব্বাস ইবনু আব্দুল আজীম (রহঃ) ... নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, আব্দুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা নফল সালাত আপন আপন ঘরেই আদায় করবে। ঘরে নফল সালাত আদায় না করে ঘরকে কবরের ন্যায় বানিয়ে নিও না।

 

 [সহীহ। আস-সহীহাহ ১৯১০, সহীহ আবু দাউদ হাঃ ৯৫৮, বুখারী ৪৩২, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৬৯৮]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃপুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / ঘরে নফল সালাত আদায় করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা এবং তার ফযীলত বর্ণনা

১৬০২। আহমদ ইবনু সুলায়ইমান (রহঃ) ... যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে একটি চাটাইকে হুজরার ন্যায় বানিয়ে নিলেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে কয়েক রাত্রি সালাত আদায় করলে কিছু লোকও তার সাথে একত্রিত হয়ে গেল। পরে এক রাত্রিতে তারা তার কোন সাড়া শব্দ না পেয়ে অনুমান করল যে, তিনি হয়ত ঘুমিয়ে আছেন। তাই কেউ কেউ গলা খঁকারি দিতে লাগল, যাতে তিনি তাদের সামনে বেরিয়ে আসেন।

তিনি বললেন আমি তোমাদের আমার সাথে রাত্রে জামাতে নফল সালাত আদায় করতে বরাবর দেখেই আসছি। তাতে আমার ভয় হয় যে, তা তোমাদের উপর ফরযই না করে দেওয়া হয়। যদি তা তোমাদের উপর ফরয করে দেওয়া হয় তবে তোমরা তা যথাযথ রূপে আদায় করতে সক্ষম হতে না। অতএব, হে লোক সকল! তোমরা আপন আপন ঘরেই নফল সালাত আদায় করবে, কেননা ফরয সালাত ছাড়া মানুষের অধিক উত্তম সালাত তার ঘরেই আদায়কৃত সালাত।

 [সহীহ। বুখারী ৭২৯০, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৭০২, ইরউয়াউল গালীল ৪৪৩]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃপুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / ঘরে নফল সালাত আদায় করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা এবং তার ফযীলত বর্ণনা

১৬০৩। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... সা ইবনু ইসহাক এর দাদা [কা ইবনু উজরা (রাঃ)] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার আবদুল আশহাল গোত্রের মসজিদে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন। যখন তিনি সালাত আদায় করে নিলেন, কিছু লোক নফল সালাত আদায় করার জন্য দাঁড়িয়ে গেল। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমাদের নফল সালাত ঘরেই আদায় করা উচিত।

 [সহীহ। ইবন মাজাহ ১১৬৫]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / বিতর এবং তাহজ্জুদ সালাত

 

১৬০৪। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ... সা ইবনু হিশাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে বিতর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, আমি কি তোমাকে বিশ্ববাসীর মধ্যে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিতর সালাত সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত ব্যক্তির সংবাদ দিব না? বললেন, হ্যাঁ। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, তিনি হলেন আয়িশা (রাঃ)

তুমি তার খেদমতে উপস্তিত হয়ে তাঁকেই জিজ্ঞাসা করে দেখ এবং পরে আমার কাছে এসে তোমাকে দেয়া তার উত্তর সম্বন্ধে আমাকে অবহিত করে যাবে। আমি হাকীম ইবনু আফলাহের কাছে এসে আয়িশা (রাঃ) এর কাছে যাওয়ার জন্য তাকে সাথী বানাতে চাইলে তিনি বললেন, আমি তার ঘনিষ্ঠজন নই, আমি তাকে ঊষ্ট্র যুদ্ধ সিফফীন ইত্যকার যুদ্ধ সমুহে অংশ গ্রহণকারী উভয় পক্ষ সম্পর্কে তাকে কিছু বলতে নিষেধ করলেও তিনি তা মানেন নি বরং তাতে সম্পূক্ত হয়ে গিয়েছিলেন।

আমি হাকীম ইবনু আফলাকে আয়িশা (রাঃ) এর কাছে যাওয়ার জন্য শপথ দিলে তিনি আমার সাথে আয়িশা (রাঃ) এর কাছে গেলেন। আয়িশা (রাঃ) হাকীমকে জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার সাথে কে? আমি বললাম, সা ইবনু হিশাম (রহঃ) তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, হিশাম কে? আমি বললাম আমেরের ছেলে। তিনি তার প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে বললেন, আমের বড় ভাল মানুষ ছিল।

সা ইবনু হিশাম (রহঃ) বললেন, হে উম্মুল মুমিনীন! আপনি আমাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্বভাব চরিত্র সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন, তুমি কূরআন পাঠ কর না? সা (রহঃ) বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই পাঠ করি। আয়িশা (রাঃ) বললেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্বভাব চরিত্র ছিল কূরআন।

আমি যখন দাঁড়াতে মনস্থ করলাম তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাঁড়ানোর (রাত্রে নফল সালাত আদায়ের) আমার মনে এসে গেল। তিনি বললেন, হে উম্মুল মুমিনীন! আপনি আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর রাত্রে নফল সালাত আদায় সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন, তুমি "ইয়া আয়্যুহাল মুয্যামমিল" এই সূরাটি পাঠ কর না? আমি বললাম হ্যাঁ, নিশ্চয়ই পাঠ করি।

তিনি বললেন, আল্লাহ তাআলা তাহাজ্জুদকে এই সূরার প্রথমাংশে ফরয করেছিলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীগণ এক বৎসর পর্যন্ত তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করলেন, যাতে তাঁদের পা ফুলে গেল। আল্লাহ তাআলা উক্ত সূরার শেষাংশের নাযিল করা বার মাস পর্যন্ত স্থগিত রেখেছিলেন। অতঃপর আল্লাহ তাআলা উক্ত সূরার শেষাংশে সহজীকৃত বিধান অবতীর্ন করলেন। অতএব তাহাজ্জ্বুদের সালাত ফরয হিসাবে অবতীর্ণ হওয়ার পর নফল হিসাবে অবশিষ্ট রয়ে গেল।

আমি পূনরায় যখন দাঁড়াতে মনস্থ করলাম তখন আমার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিতরের কথা স্মরণে এসে গেল। আমি আয়িশা (রাঃ) কে বললাম উম্মুল মুমিনীন! আপনি আমাকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিতর সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন, আমরা তার জন্য মিসওয়াক এবং উযুর পানি প্রস্তুত করে রাখতাম। রাত্রে যখন আল্লাহ তাআলা তাকে জাগানোর ইচ্ছা হত তাকে জাগ্রত করে দিতেন। তিনি উঠে মিসওয়াক এবং উযু করতেন এবং আট রাকআত সালাত আদায় করতেন।

তাতে সালাম ফিরানোর জন্য শুধু অষ্টম রাকআতেই বসতেন। বসে আল্লাহ তাআলার যিকর এবং দোয়া করতেন। অতঃপর আমরা শুনতে পারি এমন ভাবে তিনি সালাম ফিরাতেন। এরপর দুরাকআত সালাত আদায় করতেন এবং দুরাকআতের পর সালাম ফিরিয়ে বসে থাকতেন। আবার এক রাকআত সালাত আদায় করতেন। তাহলে হে প্রিয় বৎস! সর্বমোট এগার রাকআত সালাত আদায় করা হল।

যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বয়স বেড়ে গেল এবং শরীরের ওজন বৃদ্ধি পেয়ে গেল তিনি সাত রাকআত বিতরের সালাত আদায় করতেন। আর সালামের পর বসে থেকে দুরাকআত সালাত আদায় করতেন। তাহলে হে প্রিয় বৎস! সর্বমোট রাকআত সালাত আদায় করা হল। আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন সালাত আদায় করতেন, তা নিয়মিত আদায় করতে ভালবাসতেন।

আর যদি তাকে নিদ্রা অথবা কোন অসুখ বা ব্যাথা বেদনা তাহাজ্জুদ থেকে বিরত রাখত তাহলে তিনি দিনে বারো রাকআত সালাত আদায় করে নিতেন। আমি ব্যাপারে পুরোপুরি অবগত নই যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাত্রে সম্পুর্ণ কুরআন মজীদ পাঠ করেছেন। আর তিনি সকাল পর্যন্ত পুরা রাত্র তাহাজ্জ্বুদের সালাতও আদায় করতেন না এবং রমযান ব্যতীত পুরা মাস রোযাও রাখতেন না।

আমি ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর কাছে এসে আয়িশা (রাঃ) এর হাদীস থেকে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, আয়িশা (রাঃ) সত্যই বলেছেন। আমি যদি তার কাছে কখনো যেতাম তাহলে হাদীসটি তার মুখ থেকে সরাসরি শুনতে পেতাম। আবূ আব্দুর রহমান (নাসাঈ) বলেন, আমার কাছে এরকমই রয়েছে কিন্তু আমি জানি না যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বিতরের ব্যাপারে বর্ণনা কার থেকে হয়েছে।

اخبرنا محمد بن بشار، قال حدثنا يحيى بن سعيد، عن سعيد، عن قتادة، عن زرارة، عن سعد بن هشام، انه لقي ابن عباس فساله عن الوتر، فقال الا انبىك باعلم اهل الارض بوتر رسول الله صلى الله عليه وسلم قال نعم ‏.‏ قال عاىشة اىتها فسلها ثم ارجع الى فاخبرني بردها عليك فاتيت على حكيم بن افلح فاستلحقته اليها فقال ما انا بقاربها اني نهيتها ان تقول في هاتين الشيعتين شيىا فابت فيها الا مضيا ‏.‏ فاقسمت عليه فجاء معي فدخل عليها فقالت لحكيم من هذا معك قلت سعد بن هشام ‏.‏ قالت من هشام قلت ابن عامر ‏.‏ فترحمت عليه وقالت نعم المرء كان عامرا ‏.‏ قال يا ام المومنين انبىيني عن خلق رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قالت اليس تقرا القران قال قلت بلى ‏.‏ قالت فان خلق نبي الله صلى الله عليه وسلم القران ‏.‏ فهممت ان اقوم فبدا لي قيام رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا ام المومنين انبىيني عن قيام نبي الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قالت اليس تقرا هذه السورة ‏(‏ يا ايها المزمل ‏)‏ قلت بلى ‏.‏ قالت فان الله عز وجل افترض قيام الليل في اول هذه السورة فقام نبي الله صلى الله عليه وسلم واصحابه حولا حتى انتفخت اقدامهم وامسك الله عز وجل خاتمتها اثنى عشر شهرا ثم انزل الله عز وجل التخفيف في اخر هذه السورة فصار قيام الليل تطوعا بعد ان كان فريضة فهممت ان اقوم فبدا لي وتر رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا ام المومنين انبىيني عن وتر رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قالت كنا نعد له سواكه وطهوره فيبعثه الله عز وجل لما شاء ان يبعثه من الليل فيتسوك ويتوضا ويصلي ثماني ركعات لا يجلس فيهن الا عند الثامنة يجلس فيذكر الله عز وجل ويدعو ثم يسلم تسليما يسمعنا ثم يصلي ركعتين وهو جالس بعد ما يسلم ثم يصلي ركعة فتلك احدى عشرة ركعة يا بنى فلما اسن رسول الله صلى الله عليه وسلم واخذ اللحم اوتر بسبع وصلى ركعتين وهو جالس بعد ما سلم فتلك تسع ركعات يا بنى وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا صلى صلاة احب ان يدوم عليها وكان اذا شغله عن قيام الليل نوم او مرض او وجع صلى من النهار اثنتى عشرة ركعة ولا اعلم ان نبي الله صلى الله عليه وسلم قرا القران كله في ليلة ولا قام ليلة كاملة حتى الصباح ولا صام شهرا كاملا غير رمضان فاتيت ابن عباس فحدثته بحديثها فقال صدقت اما اني لو كنت ادخل عليها لاتيتها حتى تشافهني مشافهة ‏.‏ قال ابو عبد الرحمن كذا وقع في كتابي ولا ادري ممن الخطا في موضع وتره عليه السلام ‏.‏

[সহীহ। সহীহ আবু দাউদ হাঃ ১২১৩, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৫১৬]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ সা' ইবন হিশাম (রহঃপুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / ইবাদাত জ্ঞানে সওয়াব লাভের নিয়তে তারাবীহ্ সালাত আদায়কারীর সওয়াব

১৬০৫। কুতায়বা (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ইবাদত জ্ঞানে সওয়াব লাভের নিয়তে তারাবীহর সালাত আদায় করে তার পূর্ববর্তী সমস্ত (সগীরা) গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।

اخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من قام رمضان ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه ‏"‏ ‏.‏

[সহীহ। ইবন মাজাহ ১৩২৬, বুখারী ২০০৯, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৬৫৬]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃপুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / ইবাদাত জ্ঞানে সওয়াব লাভের নিয়তে তারাবীহ্ সালাত আদায়কারীর সওয়াব

 

১৬০৬। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল আবূ বকর (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে ব্যক্তি ইবাদত জ্ঞানে সওয়াব লাভের নিয়তে তারাবীহর সালাত আদায় করবে, তার পূববর্তী সমস্ত (সগীরা) গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।

اخبرنا محمد بن اسماعيل ابو بكر، قال حدثنا عبد الله بن محمد بن اسماء، قال حدثنا جويرية، عن مالك، قال قال الزهري اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، وحميد بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من قام رمضان ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه ‏"‏ ‏.‏

[সহীহ। বুখারী মুসলিম। পূর্বোক্ত হাদীস দ্রষ্টব্য]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃপুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / রমযান মাসে তারাবীহ্ সালাত আদায় করা

১৬০৭। কুতায়বা (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রাত্র মসজিদে তারাবীহর সালাত আদায় করলেন, তার সংগে শরীক হয়ে কিছু সংখ্যক লোক সালাত আদায় করল। তারপর পরবর্তী রাত্রেও তারাবীহর সালাত আদায় করলে লোকের সংখ্যা বেড়ে গেল। তারপর তারা তৃতীয় রাত্রেও অথবা চতুর্থ রাত্রেও তারাবিহর সালাত আদায় করার জন্য জড়ো হয়ে গেলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আর তাদের সামনে বের হলেন না। সকাল হলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা যা করেছিলে আমি তা দেখছিলাম। তোমাদের উপর তারাবীহর সালাত ফরয হয়ে যাওয়ার আশংকা ব্যাতীত অন্য কোন কারনে তোমাদের সামনে বের হওয়া থেকে আমাকে বিরত রাখেনি। ঘটনা রমযান মাসে ঘটেছিল।

اخبرنا قتيبة، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عاىشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في المسجد ذات ليلة وصلى بصلاته ناس ثم صلى من القابلة وكثر الناس ثم اجتمعوا من الليلة الثالثة او الرابعة فلم يخرج اليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما اصبح قال ‏ "‏ قد رايت الذي صنعتم فلم يمنعني من الخروج اليكم الا اني خشيت ان يفرض عليكم ‏"‏ ‏.‏ وذلك في رمضان ‏.‏

[সহীহ। সালাতুত তারাবীহ (১২-১৪), সহীহ আবু দাউদ হাঃ ১২৪৩, বুখারী ১১২৯, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৬৬০]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আয়িশা বিনত আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃপুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / রমযান মাসে তারাবীহ্ সালাত আদায় করা

১৬০৮। উবায়দুল্লাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ... আবূ যর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সিয়াম পালন করেছিলাম। রমযান মাসে তিনি আমাদের নিয়ে তারাবীহর সালাত আদায় করলেন। যখন মাসের মাত্র সাত রাত্র অবশিষ্ট রয়ে গেল, তিনি আমাদের নিয়ে তারাবীহর সালাত আদায় করতে লাগলেন রাত্রের তৃতীয় প্রহর অতিবাহিত হওয়া পর্যন্ত। যখন মাসের ছয় রাত্র অবশিষ্ট রয়ে গেল তিনি আমাদের নিয়ে তারাবীহর সালাত আদায় করলেন না। যখন পাঁচ রাত্র অবশিষ্ট রয়ে গেল আমাদের নিয়ে তারাবীহর সালাত আদায় করলেন অর্ধ রাত্রি অতিবাহিত হওয়া পর্যন্ত।

আমি বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! যদি আপনি আমাদের নিয়ে অত্র রাত্রের অবশিষ্ট অংশেও নফল সালাত আদায় করতেন! তিনি বললেন, যে ব্যক্তি ইমামের সাথে তারাবীহর সালাত আদায় করে ঘরে ফিরে যায় আল্লাহ তাআলা তার জন্য পূর্ণ রাত্রি সালাত আদায় করার সওয়াব লিখে রাখেন। অতঃপর আমাদের নিয়েও তারাবীহর সালাত আদায় করলেন না এবং নিজেও আদায় করলেন না। যখন মাসের তিন রাত্রি অবশিষ্ট রয়ে গেল, তিনি আমাদের নিয়ে রাত্রে তারাবীহর সালাত আদায় করলেন (এবং সালাতে) তার সন্তান সন্ততি এবং পরিবারবর্গও জড়ো হয়ে গেল। আমরা আশংকা করতে লাগলাম যে, “ফালাহনা হারিয়ে ফেলি। আমি বললাম, “ফালাহএর অর্থ কি? বললেন, সাহরী খাওয়ার সময়।

 

اخبرنا عبيد الله بن سعيد، قال حدثنا محمد بن الفضيل، عن داود بن ابي هند، عن الوليد بن عبد الرحمن، عن جبير بن نفير، عن ابي ذر، قال صمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في رمضان فلم يقم بنا حتى بقي سبع من الشهر فقام بنا حتى ذهب ثلث الليل ثم لم يقم بنا في السادسة فقام بنا في الخامسة حتى ذهب شطر الليل فقلت يا رسول الله لو نفلتنا بقية ليلتنا هذه ‏.‏ قال ‏ "‏ انه من قام مع الامام حتى ينصرف كتب الله له قيام ليلة ‏"‏ ‏.‏ ثم لم يصل بنا ولم يقم حتى بقي ثلاث من الشهر فقام بنا في الثالثة وجمع اهله ونساءه حتى تخوفنا ان يفوتنا الفلاح ‏.‏ قلت وما الفلاح قال السحور ‏.‏

[সহীহ। ইবন মাজাহ ১৩২৭]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ যার আল-গিফারী (রাঃপুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / রমযান মাসে তারাবীহ্ সালাত আদায় করা

 

১৬০৯। আহমদ ইবনু সুলাইমান (রহঃ) ... নুআয়ম ইবনু যিয়াদ আবূ তালহা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নুমান ইবনু বশীর (রাঃ) কে হিমস নামক স্থানের মিন্বরে দাঁড়িয়ে বলতে শুনেছি, আমরা একবার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে রমযান মাসের তেইশতম রাত্রের প্রথম এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত তারাবীহর সালাত আদায় করলাম। অতঃপর পঁটিশতম রাত্রে তার সাথে অর্ধরাত্রি পর্যন্ত তারাবীহর সালাত আদায় করলাম। আবার তার সাথে সাতাইশতম রাত্রেও তারাবীহর সালাত আদায় করতে লাগলাম। এমনকি আমরা আশংকা করলাম যেফালাহপাব না। সাহাবীগণ সাহারীকে ফালাহ বলতেন।

 

اخبرنا احمد بن سليمان، قال حدثنا زيد بن الحباب، قال اخبرني معاوية بن صالح، قال حدثني نعيم بن زياد ابو طلحة، قال سمعت النعمان بن بشير، على منبر حمص يقول قمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في شهر رمضان ليلة ثلاث وعشرين الى ثلث الليل الاول ثم قمنا معه ليلة خمس وعشرين الى نصف الليل ثم قمنا معه ليلة سبع وعشرين حتى ظننا ان لا ندرك الفلاح وكانوا يسمونه السحور ‏.‏

[সহীহ। সালাতুত তারাবীহ ১১]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  পুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / তাহজ্জুদের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা

১৬১০। মুহাম্মদ ইবনু আবরাহ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ নিদ্রা যায় শয়তান তার মাথায় তিনটা গিট লাগিয়ে দেয়। প্রত্যেক গিট লাগানোর সময় সে বলে, “এখনো অনেক রাত্র বাকী আছেঅর্থাৎ তুমি শুয়ে থাক। যদি সে জেগে উঠে আল্লাহর যিকর করে তাহলে একটি গিঁট খুলে যায়। তারপর যদি উযু করে তাহলে আরো একটি গিট খুলে যায়, যদি সালাত আদায় করে তাহলে সমুদয় গিট খুলে যায় এবং তার সকাল হয় আনন্দ উদ্দীপনায়। অন্যথায় তার সকাল হয় অবসাদ বিষাদময়।

اخبرنا محمد بن عبد الله بن يزيد، قال حدثنا سفيان، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اذا نام احدكم عقد الشيطان على راسه ثلاث عقد يضرب على كل عقدة ليلا طويلا اى ارقد فان استيقظ فذكر الله انحلت عقدة فان توضا انحلت عقدة اخرى فان صلى انحلت العقد كلها فيصبح طيب النفس نشيطا والا اصبح خبيث النفس كسلان ‏"‏ ‏.‏

[সহীহ। ইবন মাজাহ ১৩২৯, বুখারী ১১৪২, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৬৯৬]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃপুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

পরিচ্ছেদঃ / তাহজ্জুদের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা

১৬১১। ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আব্দূল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এমন এক ব্যক্তির উল্লেখ করা হল, যে সারা রাত্রি সকাল পর্যন্ত নিদ্রা গিয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে ব্যক্তির কর্ণদ্বয়ে শয়তান প্রশ্রাব করে দিয়েছে।

اخبرنا اسحاق بن ابراهيم، قال انبانا جرير، عن منصور، عن ابي واىل، عن عبد الله، قال ذكر عند رسول الله صلى الله عليه وسلم رجل نام ليلة حتى اصبح قال ‏ "‏ ذاك رجل بال الشيطان في اذنيه ‏"‏ ‏.‏

[সহীহ। ইবন মাজাহ ১৩৩০, বুখারী ৩২৭০, মুসলিম (ইসলামিক সেন্টার) হাঃ ১৬৯৪]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহইব্ মাসউদ (রাঃপুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

পরিচ্ছেদঃ / তাহজ্জুদের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা

১৬১২। আমর ইবনু আলী (রহঃ) ... আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! অমুক ব্যক্তি গত রাত্রের সালাত আদায় না করেই সকাল অবধি নিদ্রা গিয়েছে। তিনি বললেন, সে ব্যক্তিত কর্ণদ্বয়ে শয়তান প্রশ্রাব করে দিয়েছে।

اخبرنا عمرو بن علي، قال حدثنا عبد العزيز بن عبد الصمد، قال حدثنا منصور، عن ابي واىل، عن عبد الله، ان رجلا، قال يا رسول الله ان فلانا نام عن الصلاة البارحة حتى اصبح ‏.‏ قال ‏ "‏ ذاك شيطان بال في اذنيه ‏"‏ ‏.‏

[সহীহ। বুখারী মুসলিম। পূর্বোক্ত হাদীস দ্রষ্টব্য]

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)  বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহইব্ মাসউদ (রাঃপুনঃনিরীক্ষণঃ   সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০/ তাহাজ্জুদ দিনের নফল নামাজ (كتاب قيام الليل وتطوع النهار) 20/ The Book of Qiyam Al-Lail (The Night Prayer) and Voluntary Prayers During the Day

বাংলা/আরবী

English

 পরিচ্ছেদঃ / তাহজ্জুদের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা

১৬১৩। ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন। আল্লাহ তাআলা ব্যক্তির উপর রহম করুন, যে রাত্রের কিছু অংশ জেগে তাহাজ্জ্বুদের সালাত আদায় করে, অতঃপর তার স্ত্রীকেও জাগিয়ে দেয়, সেও তাহাজ্জ্বুদের সালাত আদায় করে। যদি তার স্ত্রী জাগ্রাত হতে না চায় তবে তার মুখমণ্ডলে পানির ছিটা দেয়। ওই মহিলার উপরও আল্লাহ তাআলা রহম বর্ষন করুন, যে রাত্রের কিছু অংশ জেগে তাহাজ্জ্বুদের সালাত আদায় করে। অতঃপর তার স্বামীকেও জাগিয়ে দেয়, সেও তাহাজ্জ্বুদের সালাত আদায় করে। সে যদি জাগ্রত হতে না চায় তবে তার মুখে পানির ছিটা দেয়া।

 

মন্তব্য করুন

ব্লগ