Loading..

ব্লগ

রিসেট

১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ

চ্চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসব 'বিজু উৎসব'
যা চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ৩ দিন ধরে পালিত হয়।  এটি পুরোনো বছরের সব দুঃখ-গ্লানি ধুয়ে ফেলে নতুন বছরের জন্য শুভকামনা জানানোর প্রতীক। 
উৎসবটি মূলত প্রকৃতি ও জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নতুন বছরের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনার একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান 

বিজু উৎসবের তিন দিন:
১. ফুল বিজু (প্রথম দিন): চৈত্র সক্রান্তির দিনে ভোরে চাকমা নারী-পুরুষ ও শিশুরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে নদী, ছড়া বা ঝরনায় ফুল ভাসিয়ে উৎসবের সূচনা করে।

২. মূল বিজু (দ্বিতীয় দিন): চৈত্র সংক্রান্তি ও বছরের শেষ দিন। এদিন ঘরে ঘরে বিশেষ ঐতিহ্যবাহী খাবার 'পাজন' রান্না করা হয় এবং সবাই উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠে

৩. গোজ্যাপোজ্যা দিন/গজ্জাপজ্জা (তৃতীয় দিন): নতুন বছরের প্রথম দিন। এদিন বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রণাম করে আশীর্বাদ নেওয়া হয় এবং পরিবারগুলো একে অপরের বাড়িতে ঘুরতে যায়। 

ৎসবের প্রধান আকর্ষণ:
  • পাজন: ২০-৩০ ধরনের পাহাড়ি সবজির মিশ্রণে তৈরি বিশেষ উপাদেয় খাবার, যা বিজু উৎসবের অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। 
  • সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: ঐতিহ্যবাহী চাকমা নৃত্য ও গান পরিবেশন করা হয়। 
  • ঐতিহ্যবাহী পোশাক: চাকমা নারীরা 'পিনন-হাদি' এবং পুরুষরা ধুতি-পাঞ্জাবি পরে এই উৎসবে অংশ নেন।
  • বিজু উৎসবের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলো তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটায়। 
মন্তব্য করুন

ব্লগ