যা চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ৩ দিন ধরে পালিত হয়। এটি পুরোনো বছরের সব দুঃখ-গ্লানি ধুয়ে ফেলে নতুন বছরের জন্য শুভকামনা জানানোর প্রতীক।
উৎসবটি মূলত প্রকৃতি ও জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নতুন বছরের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনার একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান
বিজু উৎসবের তিন দিন:
১. ফুল বিজু (প্রথম দিন): চৈত্র সক্রান্তির দিনে ভোরে চাকমা নারী-পুরুষ ও শিশুরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে নদী, ছড়া বা ঝরনায় ফুল ভাসিয়ে উৎসবের সূচনা করে।
২. মূল বিজু (দ্বিতীয় দিন): চৈত্র সংক্রান্তি ও বছরের শেষ দিন। এদিন ঘরে ঘরে বিশেষ ঐতিহ্যবাহী খাবার 'পাজন' রান্না করা হয় এবং সবাই উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠে
৩. গোজ্যাপোজ্যা দিন/গজ্জাপজ্জা (তৃতীয় দিন): নতুন বছরের প্রথম দিন। এদিন বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রণাম করে আশীর্বাদ নেওয়া হয় এবং পরিবারগুলো একে অপরের বাড়িতে ঘুরতে যায়।
ৎসবের প্রধান আকর্ষণ:
- পাজন: ২০-৩০ ধরনের পাহাড়ি সবজির মিশ্রণে তৈরি বিশেষ উপাদেয় খাবার, যা বিজু উৎসবের অন্যতম অপরিহার্য উপাদান।
- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: ঐতিহ্যবাহী চাকমা নৃত্য ও গান পরিবেশন করা হয়।
- ঐতিহ্যবাহী পোশাক: চাকমা নারীরা 'পিনন-হাদি' এবং পুরুষরা ধুতি-পাঞ্জাবি পরে এই উৎসবে অংশ নেন।
- বিজু উৎসবের মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলো তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটায়।
৫
৫ মন্তব্য