Loading..

ব্লগ

রিসেট

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৪ অপরাহ্ণ

“বাগেরহাটে নির্মমতা: এক কুকুরের মৃত্যু, না কি মানবিকতার?”

বাগেরহাটের পবিত্র দীঘির পাড়ে যা ঘটলো, তা দেখে স্তব্ধ পুরো বাংলাদেশ। যে মানুষগুলো মাজারের খাদেম হিসেবে পরিচিত, তাদের হাতে যখন একটি নিরপরাধ প্রাণীর হাড় বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে ভেঙে ফেলা হয়, তখন প্রশ্ন জাগে— ধর্ম কি আমাদের এটাই শিখিয়েছে?

একজন মাজারের খাদেম একটি অসহায় কুকুরকে বাঁশ দিয়ে সজোরে আঘাত করেন, যার ফলে কুকুরটির মেরুদণ্ড ভেঙে যায়। ব্যথায় কাতর প্রাণীটি দীঘির পানিতে পড়ে যাওয়ার পর শত চেষ্টা করেও ওপরে উঠতে পারছিল না। আর ঠিক সেই মুহূর্তে দীঘির কুমির এসে তাকে শিকার করে নিয়ে যায়।


​আমাদের লজ্জা কোথায়?

যারা ভিডিও করছিলেন, তারা যদি একটু চেষ্টা করতেন তবে হয়তো কুমিরটিকে ধাওয়া দিয়ে দূরে সরানো যেত। কিন্তু আমরা সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে ক্যামেরাবন্দি করতে বেশি আগ্রহী ছিলাম।


খাদেমের মতো দায়িত্বশীল পদে থেকে এমন নিষ্ঠুরতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।


একটি প্রাণী যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে আর মানুষ তা দাঁড়িয়ে দেখছে—এর চেয়ে বড় পরাজয় আর কী হতে পারে?

​এই ঘটনা শুধু একটি কুকুরের মৃত্যু নয়, বরং আমাদের মানবিকতার মৃত্যু। বাগেরহাটের মানুষ আজ এই নিষ্ঠুরতার কারণে লজ্জিত। আমরা এই অমানবিক কাজের তীব্র নিন্দা জানাই এবং এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।


"​পরিত্রাণ পাক সকল প্রাণী, জাগ্রত হোক মানুষের বিবেক"

মন্তব্য করুন

ব্লগ