সহকারী শিক্ষক
১২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৯:০২ পূর্বাহ্ণ
কৃমির ক্ষতিকর প্রভাব
কৃমি শরীরে বাসা বাঁধলে পুষ্টিহীনতা, রক্তশূন্যতা (Anemia), পেটে ব্যথা, ডায়রিয়া, ওজন কমে যাওয়া, ক্লান্তি এবং শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত ঘটে [১, ৩, ৫]। দীর্ঘদিন থাকলে এটি অন্ত্রের জটিলতা, অ্যালার্জি, শ্বাসকষ্ট এবং মারাত্মক সংক্রমণের কারণ হতে পারে [৪, ৬]। সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করা জরুরি।
কৃমির প্রধান ক্ষতিকর দিকসমূহ:
পুষ্টিহীনতা ও ওজন কমে যাওয়া: কৃমি অন্ত্রে থেকে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ শোষণ করে নেয়, ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে [৩, ৫]।
রক্তশূন্যতা (Anemia): বিশেষ করে হুকওয়ার্ম অন্ত্রে ক্ষত সৃষ্টি করে রক্ত পান করে, যার ফলে তীব্র রক্তশূন্যতা দেখা দিতে পারে [৫, ৬]।
পাকস্থলীর সমস্যা: ঘন ঘন পেট ব্যথা, পেট ফাঁপা, বমি বমি ভাব, আমাশয় ও ডায়রিয়া হতে পারে [১, ৬]।
শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত: শিশুদের বৃদ্ধি কমে যাওয়া (Stunting), খিটখিটে মেজাজ এবং পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যেতে পারে [১, ৬]।
চুলকানি ও ঘুমের ব্যাঘাত: বিশেষ করে সুতোকৃমির কারণে মলদ্বারে তীব্র চুলকানি হয়, যা রাতে বেড়ে যায় এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় [৪, ৬]।
মারাত্মক জটিলতা: অতিরিক্ত কৃমির কারণে অন্ত্রে প্যাঁচ লেগে যাওয়া (Intestinal obstruction), পিত্তথলিতে সমস্যা বা বড় ধরনের অপারেশনের ঝুঁকি তৈরি হয় [৪, ১৩]।
অন্যান্য সমস্যা: এলার্জি, ত্বকে র্যাশ, শুকনো কাশি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে [৪, ৬]।
প্রতিকার ও সচেতনতা:
নিরাপদ পানি পান, খাবার ভালো করে রান্না করা, নখ ছোট রাখা এবং খালি পায়ে না হাঁটার মাধ্যমে।
৫
৫ মন্তব্য