Loading..

ব্লগ

রিসেট

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ০৩:৪৭ অপরাহ্ণ

জিগস পদ্ধতি শিখন কৌশল

জিগস পদ্ধতি শিখন কৌশল হলো একটি সহযোগী শিখন পদ্ধতি যেখানে শিক্ষার্থীরা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে শেখে। এটি শ্রেণীকক্ষের জন্য একটি কার্যকর কৌশল, যা শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। নিচে এই কৌশলটি ধাপে ধাপে আলোচনা করা হলো:


  • জিগস পদ্ধতি: জিগস পদ্ধতিতে শেখার বিষয়বস্তু বা সমস্যাকে কয়েকটি ভাগে বিভক্ত করা হয় এবং শিক্ষার্থীদের একটি দলে রাখা হয়। প্রতিটি দলের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সেই নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে গবেষণা করতে হয় এবং পরবর্তী সময়ে নিজ দলের অন্যান্য সদস্যদের সাথে তাদের গবেষণা ফলাফল শেয়ার করতে হয়। দলের সবাই মিলে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে। এটি ছাত্রদের যোগাযোগের দক্ষতা বাড়াতে পারে।


  • শিক্ষার্থীদের ভূমিকা: শিক্ষার্থীরা জিগস পদ্ধতিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এবং নিজেদের মতো করে শেখার প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করে। শিক্ষক তাদের এই প্রক্রিয়ায় সাহায্য করতে পারেন এবং তাদের উৎসাহিত করতে পারেন।

  • এই পদ্ধতিটির কিছু বৈশিষ্ট্য হলো:


    • সহযোগী শিখন: শিক্ষার্থীরা একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে শেখে এবং তাদের নিজেদের অংশটি অন্যদের সাথে শেয়ার করতে হয়।

    • সক্রিয় অংশগ্রহণ: শিক্ষার্থীদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে হয় এবং তারা নিজেরা শিখতে পারে।

    • যোগাযোগের দক্ষতা: শিক্ষার্থীরা নিজ দলের অন্যান্য সদস্যদের সাথে তাদের গবেষণা ফলাফল শেয়ার করে এবং পরবর্তী সময়ে নিজ দলের অন্যান্য সদস্যদের সাথে তাদের গবেষণা ফলাফল শেয়ার করে।

জিগস পদ্ধতি শিখন কৌশল শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং তাদের শেখার প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটি ছাত্রদের যোগাযোগের দক্ষতা বাড়াতে পারে এবং তাদের সামাজিক দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ