Loading..

ব্লগ

রিসেট

৩১ মার্চ, ২০২৬ ০৬:৩১ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের উচিত আমদানি-রপ্তানি শুধুমাত্র কয়েকটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে এ-র গন্ডি বা পরিসীমার ব্যপ্তি ঘটানো :

বাংলাদেশের উচিত আমদানি-রপ্তানি শুধুমাত্র কয়েকটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে এ-র গন্ডি বা পরিসীমার ব্যপ্তি ঘটানো :

=======================


 আওয়ামিলীগ দলের পুঁজি মূলতঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া।আর এই নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তাই তাকে জাতির পিতা হিসেবে উপাধি দেয়া হয়।কিন্তু তারও আগে এই উপাধি দেয়া হয়েছিল মাওলানা ভাসানীকে যখন তিনি ফারাক্কাবাধ বন্ধের জন্য লংমার্চ করেছিলেন।মুক্তিযুদ্ধে যেমন তার ভূমিকা রয়েছে তেমন সমাজে শোষনের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার।তাই তিনিই প্রথম তেভাগা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। মূল পয়েন্টে ফিরে আসি। আওয়ামী লীগ  সরকার গঠনে বরাবর মুক্তিযুদ্ধকে পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং পাকিস্তানকে এখনো পশ্চিম পাকিস্তান হিসেবে দেখে আসছে।পৃথিবীর রাজনীতিতে এখন অনেক পরিবর্তন এসেছে দুই জার্মানি একিভুত হয়েছে।রাশিয়া ও চীনের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন হয়েছে।ইরান এবং ইরাক এখন বন্ধু রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।এক সময় যে সকল দেশ চরম শত্রু ছিল আজ তারা বন্ধু রাষ্ট্রে পরিনত হয়ে বানিজ্যিক লেনদেনের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চলেছে অথচ আমাদের দেশ সেই পাকিস্তানের সাথে এতো বছর পরও সম্পর্কের কোনো উন্নয়ন ঘটানো হয়নি শুধুমাত্র রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার কারনে। পাকিস্তান যদি বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্রে পরিনত হয়ে যায় তাহলে আওয়ামিলীগের রাজনীতির পুঁজিটা হারিয়ে যাবে। তাই আওয়ামিলীগ কখনো চাইবে না পাকিস্তানের সাথে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে। সারা বিশ্বে ৫৬টির মতো মুসলিম দেশ আছে। এই মুসলিম দেশগুলো আজ যদি নিজেদের মধ্যে আমাদানি - রপ্তানি সীমাবদ্ধ রাখতো বা বৃদ্ধি করতো তাহলে বিধর্মী রাষ্ট্রগুলো ফিলিস্তিনের মতো মুসলিম দেশগুলোকে অত্যাচার করার কোনো সাহস দেখাতে পারতো না। আজ আমরা ভারতের একটি প্রদেশের মতো হয়ে গিয়েছি বা বলতে পারেন ভারত নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি কারণ আমরা ভারতকেই বেশি গুরুত্ব দিয়ে এসেছি। অথচ পাকিস্তান হতে পারতো আমাদের এক অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র। তারা আমাদের আমদানি-রপ্তানিতে এমনকি সামরিক ক্ষেত্রেও হতে পারতো একটি বন্ধুপ্রতিম সহযোগী দেশ। কিন্তু আওয়ামিলীগ সরকার দীর্ঘ সময় এদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার ফলে তা সম্ভব হয়নি।এখন সময় এসেছে পরিবর্তন আনার।কোনো রাষ্ট্রই চিরকাল কোন দেশের শত্রু হিসেবে যেমন থাকতে পারে না এবং কোনো দিন থাকেওনি কারন কোনো রাষ্ট্র সবকিছুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। কোন না কোন কারণে অন্য রাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল। তাই আমাদের দেশের উচিত বন্ধু রাষ্ট্রের সংখ্যা বৃদ্ধি করা এবং নিজেদের মধ্যে জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটানো। দেশের স্বার্থ রক্ষা করে অন্যান্য দেশের সাথে চুক্তি সম্পাদিত করা। এমন যেন না হয়, এক্সিট পয়েন্ট না রেখে চুক্তি করে দেশের স্বার্থ বিরোধী কাজ করা। তাহলে শুধু ইহকালে নয় পরকালেও মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের রক্ষা করবেন না। 



https://www.facebook.com/share/p/1CTxbzA4HV/


মন্তব্য করুন

ব্লগ