প্রভাষক
৩১ মার্চ, ২০২৬ ০৪:৫০ পূর্বাহ্ণ
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা বংশাণু প্রকৌশল
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা বংশাণু প্রকৌশল হলো আধুনিক জীবপ্রযুক্তির এমন একটি শাখা, যার মাধ্যমে কোনো জীবের ডিএনএ (DNA) আণবিক কৌশলে পরিবর্তন, অপসারণ বা সংযোজন করে কাঙ্ক্ষিত বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলা হয়। এটি মূলত রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নত উদ্ভিদ/প্রাণী সৃষ্টি, রোগ নিরাময় এবং শিল্পক্ষেত্রে কার্যকর প্রোটিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
• প্রক্রিয়া: এটি একটি জীবে অন্য কোনো প্রজাতির জিন স্থানান্তর করতে পারে, ফলে সেটিকে জেনেটিকালি মডিফাইড অর্গানিজম (GMO) বা ট্রান্সজেনিক জীব বলা হয়।
• প্রধান কাজ: ডিএনএ-র পুনর্গঠন, নির্দিষ্ট জিন অপসারণ বা নতুন জিন যুক্ত করা।
• ব্যবহার ক্ষেত্র:
o চিকিৎসা: ইনসুলিন, ভ্যাকসিন (হেপাটাইটিস বি) এবং ক্যানসার থেরাপি তৈরিতে।
o কৃষি: রোগ-প্রতিরোধী, অধিক ফলনশীল এবং পুষ্টিকর ফসলের জাত (যেমন- বিটি বেগুন, গোল্ডেন রাইস) তৈরি ।
o শিল্প: অণুজীব ব্যবহার করে এনজাইম বা হরমোন উৎপাদন।
সুবিধা ও ঝুঁকি:
এর মাধ্যমে দ্রুত উন্নত বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেলেও, এটি জিনগত বৈচিত্র্য হ্রাস এবং পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট করার আশঙ্কাও তৈরি করে। Herbert Boyer এবং Robert Swanson ১৯৭৬ সালে প্রথম জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি "Genetech" প্রতিষ্ঠা করেন।
৩
৫ মন্তব্য