শিক্ষার্থীর সুপ্ত প্রতিভা সনাক্তকরণ ও বিকাশে আনন্দদায়ক ও শিশুবান্ধব পরিবেশ অ
পরিহার্য। সহশিক্ষা কার্যক্রম, যেমন—বিতর্ক, স্কাউটিং, বিজ্ঞান ক্লাব, এবং খেলার ছলে শিক্ষার মাধ্যমে তাদের উদ্ভাবনী শক্তি ও সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত করা যায়। এছাড়া, প্রতিটি শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ভিন্নতা বুঝে তাদের বিশেষ চাহিদা অনুযায়ী যত্নের মাধ্যমে (Special Care) মেধার বিকাশ সম্ভব।
শিক্ষক বাতায়ন +4
শিক্ষার্থীর সুপ্ত প্রতিভা সনাক্তকরণ ও বিকাশের প্রধান কৌশলগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:
আনন্দদায়ক ও মুক্ত পরিবেশ: কঠোর শাসন পরিহার করে আনন্দের সাথে শেখার পরিবেশ (Joyful Learning) তৈরি করতে হবে, যা শিশুর দেহমনের শক্তির মূল উৎস [২, ৭, ৮]।
পর্যবেক্ষণ ও সনাক্তকরণ: শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে বুঝতে হবে প্রতিটি শিশুর আগ্রহ ও ঝোঁক ভিন্ন [১]। যার যে বিষয়ে আগ্রহ, তাকে সেই ক্ষেত্রে উৎসাহিত করতে হবে [১]।
সহশিক্ষা কার্যক্রম (Co-curricular Activities): বিদ্যালয়ের স্কাউট, গার্ল গাইডস, ডিবেট ক্লাব, এবং সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমের মাধ্যমে লুকানো প্রতিভা বেরিয়ে আসে [১০]।
সৃজনশীল ও অনুসন্ধানমূলক কাজ: অনুসন্ধানমূলক কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সমস্যা-সমাধান দক্ষতা ও চিন্তন দক্ষতার বিকাশ ঘটে [৪]।
বিশেষ যত্ন (Special Care): দুর্বল বা ভিন্নধর্মী শিক্ষার্থীদের সনাক্ত করে তাদের জন্য আলাদা যত্নের ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে তাদের মেধার বিকাশ রুদ্ধ না হয় [১০]।
মানসিক চাপমুক্ত রাখা: পড়া ফাঁকি দিতে চাইলে বা পড়াশোনায় অমনোযোগী হলে, তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ না করে মজার ছলে (Play-way method) বিষয়টি শেখাতে হবে [৯]।
শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলো অভিজ্ঞতার মাধ্যমে অর্জিত আচরণের বিকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করা [৬
৫
৫ মন্তব্য