শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি: মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীরা পাঠের প্রতি বেশি আগ্রহী হয় এবং সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে [১, ১৩]।
জটিল বিষয় সহজীকরণ: এনিমেশন, ভিডিও ও সিমুলেশনের মাধ্যমে বিজ্ঞান বা গণিতের মতো কঠিন ও বিমূর্ত বিষয়গুলো বাস্তবরূপ পায়, ফলে শিক্ষার্থীরা সহজে বুঝতে পারে [৪, ১৩]।
শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক শিখন: ডিজিটাল কন্টেন্ট শিক্ষক-কেন্দ্রিক পাঠদান কমিয়ে শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে তারা নিজে থেকে শিখতে উদ্বুদ্ধ হয় [১৪]।
স্থায়ী শিখন: পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি দৃশ্যমান উপাদানের ব্যবহার বিষয়টিকে শিক্ষার্থীদের মনে দীর্ঘস্থায়ী করে [৭]।
তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষতা: নিয়মিত ডিজিটাল কনটেন্ট ব্যবহারের ফলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়েরই আইসিটি (ICT) জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায় [৩, ৯]।
আনন্দদায়ক ও আধুনিক পাঠদান: প্রথাগত লেকচার পদ্ধতির বাইরে গিয়ে ডিজিটাল কন্টেন্ট পড়াশোনাকে আনন্দদায়ক ও যুগোপযোগী করে তোলে [৩, ৭]।
৩
৫ মন্তব্য