প্রভাষক
২৮ মার্চ, ২০২৬ ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ণ
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন হলো এমন একটি ডেটা স্থানান্তর পদ্ধতি, যেখানে প্রেরক থেকে প্রাপকে ডেটা ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার (প্রতিবারে ৮ বিট) এবং অনিয়মিত বিরতিতে পাঠানো হয়। প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে একটি স্টার্ট বিট (Start bit) এবং শেষে স্টপ বিট (Stop bit) ব্যবহার করে প্রাপককে ডেটা সম্পর্কে জানানো হয়। এটি কি-বোর্ড ও কম্পিউটার বা মডেমের মতো ধীরগতির ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।
মূল বৈশিষ্ট্য ও কার্যপদ্ধতি:
• ক্যারেক্টার ভিত্তিক: ডেটা ক্যারেক্টার বা বাইট আকারে এক এক করে প্রেরিত হয়।
• স্টার্ট ও স্টপ বিট: প্রতিটি ক্যারেক্টারের শুরুতে '০' (স্টার্ট) এবং শেষে '১' (স্টপ) বিট থাকে।
• সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই:
দুই ক্যারেক্টারের মাঝে সময়ের ব্যবধান সমান বা নিয়মিত হওয়ার প্রয়োজন নেই, ফলে এটি যান্ত্রিকভাবে নমনীয়।
• প্রাইমারি স্টোরেজ প্রয়োজন নেই: ডেটা সংরক্ষণের জন্য বাফার রেজিস্টারের প্রয়োজন হয় না।
সুবিধাসমূহ:
• যেকোনো সময় ডেটা পাঠানো ও গ্রহণ করা যায়।
• প্রাথমিক স্টোরেজ ডিভাইসের প্রয়োজন হয় না।
• কম্পিউটার ও কিবোর্ডের মধ্যে যোগাযোগের জন্য সহজ।
অসুবিধাসমূহ:
• স্টার্ট ও স্টপ বিটের কারণে অতিরিক্ত বিট (Overhead) পাঠাতে হয়, ফলে কাজের গতি ধীর হয়।
• ব্লক ট্রান্সমিশনের (সিনক্রোনাস) তুলনায় ধীরগতিসম্পন্ন ।
ব্যবহার:
• কি-বোর্ড, মাউস, এবং প্রিন্টারের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা ট্রান্সমিশন।
• টেলিফোন লাইনে মডেমের মাধ্যমে ধীরগতির ডেটা স্থানান্তর।
অ্যাসিনক্রোনাস এবং সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনের প্রধান পার্থক্য:
• অ্যাসিনক্রোনাস: ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার, স্টার্ট/স্টপ বিট, অনিয়মিত, ধীরগতি।
• সিনক্রোনাস: ব্লক/ফ্রেম বাই ব্লক, ক্লক পালস ব্যবহার, নিয়মিত, দ্রুতগতি।
৩
৫ মন্তব্য