Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৮ মার্চ, ২০২৬ ০৬:৫২ পূর্বাহ্ণ

লেজার (LASER)। লেজার (LASER)।

লেজার (LASER) হলো একটি বিশেষ প্রযুক্তি যা অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত ও শক্তিশালী আলোক রশ্মি তৈরি করে। এর পূর্ণরূপ "Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation"। এটি চিকিৎসাক্ষেত্রে (চোখের ল্যাসিক, সার্জারি), চামড়ার চিকিৎসা, শিল্পক্ষেত্রে কাটাছেঁড়া, এবং বারকোড স্ক্যানার বা সিডি প্লেয়ারের মতো যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়। 

লেজার প্রযুক্তির মূল বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার:

কার্যপদ্ধতি: লেজার রশ্মি সাধারণ আলোর মতো ছড়িয়ে পড়ে না, বরং খুব সরু এবং শক্তিশালী রশ্মি হিসেবে নির্দিষ্ট দিকে যায়।

চিকিৎসা ক্ষেত্রে: Apollo Hospitals এর তথ্য মতে, টিউমার, কিডনিতে পাথর, চোখের দৃষ্টি সমস্যা (যেমন- Dr Agarwals Eye Hospital এর ল্যাসিক), এবং ত্বকের দাগ বা লোম অপসারণে এটি বহুল ব্যবহৃত। এটি সাধারণত কাটাছেঁড়াহীন (scar-less) এবং ব্যথামুক্ত বা কম ব্যথাদায়ক চিকিৎসা পদ্ধতি, প্রথম আলো এর প্রতিবেদন অনুসারে।

রেটিনাল লেজার: Dr Agarwals Eye Hospital এর মতে, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি বা রেটিনা ছিঁড়ে যাওয়ার মতো সমস্যায় এটি দৃষ্টিশক্তি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।

শিল্প ও অন্যান্য: কাটাছেঁড়া, তথ্য আদান-প্রদান এবং পরিমাপের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়।


মাইক্রোওয়েভ (Microwave) হলো এক ধরনের উচ্চ-কম্পাঙ্কের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ (electromagnetic wave), যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ১ মিলিমিটার থেকে ১ মিটার এবং কম্পাঙ্ক ৩০০ MHz থেকে ৩০০ GHz পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি মূলত রাডার, স্যাটেলাইট যোগাযোগ, এবং মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার দ্রুত গরম বা রান্না করতে ব্যবহৃত হয়, যা খাবারের ভেতরের পানির অণুকে কম্পিত করে তাপ উৎপন্ন করে। 

মূল বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার:

কার্যপদ্ধতি: মাইক্রোওয়েভ ওভেনে 'ম্যাগনেট্রন' (Magnetron) নামক যন্ত্রের সাহায্যে এই তরঙ্গ উৎপন্ন করে খাবারের পানি, চর্বি বা শর্করার অণুকে দ্রুত ঘোরায়, ফলে ঘর্ষণের মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন হয়ে খাবার রান্না হয়।

ব্যবহার: রান্নাঘর ছাড়াও, রাডার সিস্টেম, দূরপাল্লার যোগাযোগ (টেলিফোন, স্যাটেলাইট টিভি) এবং ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

সুবিধা: মাইক্রোওয়েভ ওভেন খুব দ্রুত খাবার গরম করতে পারে এবং কম সময়ে বিভিন্ন খাবার (যেমন- কেক, পপকর্ন) তৈরি করা যায়। 

সতর্কতা: মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ধাতব পাত্র (যেমন- স্টিল, অ্যালুমিনিয়াম) ব্যবহার করা একদমই উচিত নয়, কারণ এতে আগুনের স্ফুলিঙ্গ তৈরি হতে পারে।

মন্তব্য করুন

ব্লগ