প্রভাষক
২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ
২য় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি
২য় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি
২য় প্রজন্মের (2G) মোবাইল ফোন ব্যবস্থা মূলত এনালগের পরিবর্তে ডিজিটাল প্রযুক্তিতে (GSM/CDMA) রূপান্তর, ভয়েস কলের মান উন্নত করা এবং SMS ও বেসিক ডেটা সেবার সূচনা করে। ১৯৯০-এর দশকে চালু হওয়া এই প্রযুক্তি ভয়েস এনক্রিপশনের মাধ্যমে নিরাপত্তা বাড়ায় এবং আন্তর্জাতিক রোমিং ও প্রিপেইড পদ্ধতি চালু করে।
২য় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
• ডিজিটাল প্রযুক্তি: এটি এনালগ (1G) থেকে ডিজিটাল ট্রান্সমিশনে স্থানান্তরিত হয়, যা ভয়েসকে নয়েজ-মুক্ত করে।
• SMS ও MMS: টেক্সট মেসেজ (SMS) এবং মাল্টিমিডিয়া মেসেজ (MMS) আদান-প্রদান সুবিধা।
• উন্নত নিরাপত্তা: ডিজিটাল এনক্রিপশন ব্যবহারের ফলে ভয়েস কল আগের চেয়ে বেশি নিরাপদ হয়।
• ডাটা সেবার সূচনা: GPRS প্রযুক্তির মাধ্যমে খুব ধীরগতির ইন্টারনেট সুবিধা, যা WAP (Wireless Application Protocol) ভিত্তিক ছিল।
• কম্প্যাক্ট ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি: ফোনগুলো আকারে ছোট হয় এবং কম ব্যাটারি খরচ করত, যা অনেক সময় ধরে চার্জ থাকত।
• অন্যান্য সেবা: আন্তর্জাতিক রোমিং, প্রিপেইড গ্রাহক সেবা, এবং কলার আইডি বা কল ওয়েটিং-এর মত ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস চালু হয়।
• গতি: ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড সাধারণত -এর আশেপাশে সীমাবদ্ধ ছিল।
৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তি (3G) মূলত দ্রুত গতির ইন্টারনেট, ভিডিও কলিং এবং উন্নত মাল্টিমিডিয়া সুবিধার জন্য পরিচিত, যা ২০০১ সালে চালু হয়। এটি প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তির মাধ্যমে থেকে শুরু করে কয়েক Mbps পর্যন্ত ডেটা গতি প্রদান করে। UMTS, WCDMA, এবং HSPA প্রযুক্তি এর প্রধান ভিত্তি।
৩
৫ মন্তব্য