Loading..

ব্লগ

রিসেট

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ

৩য় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি

৩য় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি


দ্রুত ইন্টারনেট: ২জি (2G) এর তুলনায় অনেক বেশি গতির ইন্টারনেট সুবিধা (প্রাথমিকভাবে ন্যূনতম থেকে পরে কয়েক Mbps)।

ভিডিও কলিং ও স্ট্রিমিং: হাই-স্পিড ডেটা স্থানান্তরের কারণে ভিডিও কল, ভিডিও স্ট্রিমিং এবং অনলাইন গেম খেলা সম্ভব হয়।

উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার: মূলত প্যাকেট সুইচিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যা তথ্যের দ্রুত আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।

UMTS/WCDMA: এই প্রযুক্তিতে UMTS (Universal Mobile Telecommunications System) এবং WCDMA (Wideband Code Division Multiple Access) ব্যবহার করা হয়।

মাল্টিমিডিয়া সার্ভিস: মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল, এবং বড় ফাইল আদান-প্রদান করা যায়, যা মোবাইলকে মিনি-ল্যাপটপে রূপান্তর করে।

গ্লোবাল রোমিং: বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে একই নেটওয়ার্কের আওতায় থাকার সুবিধা (Global Roaming)। 

৩য় প্রজন্মের প্রযুক্তি (যেমন- HSPA) EDGE পদ্ধতির চেয়ে উন্নত এবং এটি মূলত স্মার্টফোনের যুগে প্রবেশ করতে সাহায্য করেছিল।

মন্তব্য করুন

ব্লগ