মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে
লেইস (LAISE - Learning Acceleration in Secondary Education) প্রজেক্টটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
এটি মূলত বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত একটি প্রকল্প, যার প্রধান লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের শিখনের মান বৃদ্ধি করা এবং করোনার কারণে সৃষ্ট শিখন ঘাটতি পূরণ করা।
লেইস প্রজেক্টের প্রধান ভূমিকা ও কার্যাবলি নিচে আলোচনা করা হলো:
- শিক্ষার্থীদের শিখন ত্বরান্বিত করা (Learning Acceleration): শিক্ষার্থীদের মৌলিক দক্ষতা বিশেষ করে গণিত ও বাংলায় দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে এই প্রকল্প। ঝরে পড়া রোধে এবং নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতেও এটি ভূমিকা রাখে।
- শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন: মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক এবং আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতির ওপর উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদান করে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
- ব্লেন্ডড লার্নিং ও আইসিটি ইন্টিগ্রেশন: ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের জন্য ব্লেন্ডড লার্নিং (অনলাইন ও অফলাইনের সমন্বয়) এবং আইসিটিভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসার ঘটাচ্ছে।
- শিখন ঘাটতি পূরণ: কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের যে শিখন ক্ষতি হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারে নিবিড় কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে।
- শিক্ষাব্যবস্থার সহনক্ষমতা (Resilience) বৃদ্ধি: প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্য কোনো সংকটে যেন শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে না পড়ে, সেজন্য শিক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা ও সহনক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে।
- অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা: জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শিক্ষার্থীর জন্য সমান ও গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পাঠ্যক্রম ও মূল্যায়ন পদ্ধতির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
৫
৫ মন্তব্য